আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি

১৯৭১ সালের মার্চ মাসটি ছিলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ

মার্চ ০৩ ২০২১, ১০:৪৯

Spread the love

১৯৭১ সালের মার্চ মাসটি ছিলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ

পুরো মাসটি জুড়ে ছিলো উত্তেজনা তাই তো মার্চ মাসটিকে বাঙালী মনে করে অগ্নিঝরা মাস ।

আজকের ঝলক

১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ঢাকায় সংসদীয় দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে এক গোলটেবিল বৈঠক আহ্বান করেন। সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে শেখ মুজিব তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন।

সেদিন তৎকালীন পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের ডাকা ছাত্র জনসভায় আকস্মিকভাবে উপস্থিত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সভায় বঙ্গবন্ধু অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন।

সেদিনই সভা থেকে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের চার নেতা নূরে আলম সিদ্দিকী, শাজাহান সিরাজ, আ স ম আবদুর রব ও আবদুল কুদ্দুস মাখন স্বাধীনতা ও মুক্তিসংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার শপথ গ্রহণ করেন।

জনসভাতেই ঘোষণা আসে ৭ মার্চে রেসকোর্সের (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) সেই ঐতিহাসিক জনসভার। যেখান থেকে বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

ওই ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, ‘হয়তো ইহাই আপনাদের সামনে আমার শেষ ভাষণ। আগামী রোববার রেসকোর্সে আমার বক্তৃতা করার কথা। কিন্তু কে জানে, সে সুযোগ আমাকে নাও দেয়া হইতে পারে। তাই আজ আপনাদের কাছে আর আপনাদের মাধ্যমে বাংলার জনগণের কাছে আমি বলিয়া যাইতেছি, আমি যদি নাও থাকি আন্দোলন যেন না থামে।’

ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত নির্বাচিত করা হয়।

এর পরে ইসতেহারে বলা হয় এতে বলা হয়, বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলন পরিচালনার জন্য প্রতিটি গ্রাম, মহল্লা, থানা, মহকুমা, শহর, জেলায় ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম কমিটি’ গঠন করতে হবে, সকল শ্রেণির জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা ও তাদের ঐক্যবদ্ধ করতে হবে, শ্রমিক এলাকায় শ্রমিক ও গ্রামাঞ্চলে কৃষকদের সুসংগঠিত করে গ্রামে গ্রামে, এলাকায় এলাকায় ‘মুক্তিবাহিনী’ গঠন করতে হবে, হিন্দু-মুসলমান ও বাঙালি-অবাঙালি সাম্প্রদায়িক মনোভাব পরিহার এবং সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে ও স্বাধীনতা সংগ্রামকে সুশৃঙ্খলতার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পারস্পরিক যোগাযোগ রক্ষা এবং লুটতরাজসহ সকল প্রকার সমাজবিরোধী ও হিংসাত্মক কার্যকলাপ বন্ধ করতে হবে।

একটি আদর্শ সমাজব্যবস্থার জন্য জরুরী বাকস্বাধীনতা 

 

https://www.youtube.com/watch?v=GO_0fZ3jams&list=RDGO_0fZ3jams&start_radio=1

 



আমাদের ফেসবুক পাতা




প্রয়োজনে কল করুন 01740665545

আমাদের ফেসবুক দলে যোগ দিন







Translate »