করোনায় এনজিও কর্মীর মৃত্যু; আক্রান্ত শতাধিক

এপ্রিল ২৩ ২০২১, ১০:৪৯

Spread the love

আজকের ঝলক নিজস্ব প্রতিনিধি :

বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও এনজিও প্রতিনিধিদের সাথে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে ইতিপূর্বেই অনুমেয় হয়েছিলো এনজিও কর্মীরা করোনার ঝুঁকিতে আছেন । এবার সেই ধারনা ঠিক হলো ।

গতকাল করোনায় আক্রান্ত হয়ে মুকুল চন্দ্র ভাস্কর (৫৪) নামে বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) এক কর্মী মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে লালমনিরহাট জেলা সিভিল সার্জন ডা. নির্মলেন্দু রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

জানাগেছে মুকুল চন্দ্র ভাস্কর লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের কাকেয়াটেপা গ্রামের মৃত ভরত চন্দ্র ভাস্করের ছেলে। তিনি আরডিআরএস (রংপুর দিনাজপুর ত্রাণ ও পুনর্বাসন সংস্থা) বাংলাদেশ নামে একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী ছিলেন ।

এরআগে লালমনিরহাট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোররাতে তার মৃত্যু হয়েছে। মুকুল চন্দ্র ভাস্করের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় গতকাল রাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে তিনি বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

তার স্ত্রী স্বপ্না রানী একটি বেসরকারি ক্লিনিকে কাজ করেন। বলেন, তিনিই প্রথম করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। পরে তার সংস্পর্শে এসে মুকুল চন্দ্র আক্রান্ত হন। শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় গতকাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল ।

ভিভিন্ন গ্রুপ ও এনজিও প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করে জানাগেছে আরো শতাধিক এনজিও কর্মী করোনায় আক্রান্ত আছেন । প্রায় প্রতিটি এনজিওতে দু একজন আক্রান্ত হয়েছেন । বিশেষজ্ঞরা মনে করেন এনজিও নেটওয়ার্ক একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করতে পারে ।

জানাগেছে লকডাউনে চরম অসস্তিতে আছেন বেসরকারী চাকুরিজীবীরা

গতবছর লকডাউন হলে, সাধারণ ছুটি হয়ে যাওয়ায় সকল প্রতিষ্ঠানের চাকুরিজীবীরা নিজ নিজ বাসায় অবস্থান করেছিলেন বিধায় তেমন কোনো সমস্যা ছিলোনা, কিন্তু এবারের চিত্রটি ভিন্ন । লকডাউন হলেও কর্মস্থল ছাড়ার অনুমতি না থাকায় চরম বিপাকে পরেছেন কর্মীরা ।

গোপনে কিছু কর্মীদের মাঠে যেতে হলেও তাদের নেই কোনো মুভমেন্ট পাশ তাই নিজেদের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে যেতে হচ্ছে । জানা গেছে ইতিমধ্যে বেশ কিছু এনজিওকে নির্দেশ অমান্য করে ঋনের কিস্তি আদায় করার জন্য জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত ।

অনেক সংস্থার টার্গেটে বেতন হওয়ার কারণে মাসশেষে সঠিকভাবে সম্পূর্ণ বেতন পাবেন কিনা সে নিয়ে আছেন চরম উৎকন্ঠায়, এছাড়া সামনে রয়েছে ঈদ, সংস্থার কিস্তি ঠিক মতো আদায় না হলে সঠিকভাবে বেতন ও বোনাস পওয়া নিয়ে আছে দুশ্চিন্তা ।

কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের মাঠের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখলেও কোনোকোনো এনজিও নিজস্ব প্রোডাক্ট বিক্রির জন্য কর্মীদের চাপ দিচ্ছেন বিশেষ করে সেমাই, পরিধেয় বস্ত্র, খাদ্য সামগ্রী ইত্যাদি । লকডাউন থাকার কারণে এসব বিক্রিতেও হচ্ছে সমস্যা কর্মীদের।

এসব বিষয় সঠিক সিদ্ধান্ত ও কর্মীরা যাতে কোনোপ্রকার ক্ষতিগ্রস্থ না হয় তারজন্য সরকার ও এনজিও উদ্যোগতাদের যৌথ উদ্যোগ খুবই জরুরী ।

আরো পড়ুন

বাংলাদেশের এনজিও সমিকরণ

লকডাউনে এনজিও অফিস খোলা !

 

ভিডিও দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=fri9XbJKmMA

 

ছবি : সংগৃহীত

 



আমাদের ফেসবুক পাতা




প্রয়োজনে কল করুন 01740665545

আমাদের ফেসবুক দলে যোগ দিন







Translate »