রোহিঙ্গাদের জন্য কভিড-১৯ মোকাবেলায় জরুরি তহবিল বরাদ্দের ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্বমূলক শর্ত সংশোধনের জন্য জাতিসংঘের প্রতি সিসিএনএফ-এর আহবান 

কক্সবাজারে স্থানীয় এনজিও-সিএসওদের বিশেষ সহযোগিতা পাওয়ার দাবি ন্যায্য, তাদের বদলে অন্যদের প্রতিস্থাপন করবেননা

জুলাই ০১ ২০২০, ১৯:১৯

Print

Spread the love

কক্সবাজারে স্থানীয় এনজিও-সিএসওদের বিশেষ সহযোগিতা পাওয়ার দাবি ন্যায্য, তাদের বদলে অন্যদের প্রতিস্থাপন করবেননা

রোহিঙ্গাদের জন্য কভিড-১৯ মোকাবেলায় জরুরি তহবিল বরাদ্দের ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্বমূলক শর্ত সংশোধনের জন্য জাতিসংঘের প্রতি সিসিএনএফ-এর আহবান 

কক্সবাজারএবংঢাকা।আজরোহিঙ্গাদের জন্য করোনাসংক্রমণ রোধে ৪০ লাখডলারবিশেষতহবিলবরাদ্দেরবিশেষপক্ষপাতমূলকশর্ত সংশোধেনেরজন্য জাতিসংঘেরআবাসিকসমন্বয়কারীরকাছেঅনুরোধজানিয়েছেসিসিএনএফ। সিসিএনএফকক্সবাজারেকর্মরত ৫০ টিরও বেশি স্থানীয় ও জাতীয় এনজিওর নেটওয়ার্ক। সিসিএনএফমনেকরেশর্ত পরিবর্তনকরলে এই তহবিলপ্রাপ্তিরপ্রক্রিয়ায়স্থানীয়বেসরকারিসংস্থাগুলিঅংশগ্রহণকরতেপারবেএবং রোহিঙ্গাসংকট মোকাবেলায়পরিচালিতবিভিন্নমানবিককমৃসুচিতেতারাঅংশ নিতে পারবে।
উল্লেখ্য যে, গত ৩০ জুনইন্টার সেক্টোরাল কোঅর্ডিনেশনগ্রæপ (আইএসসিজি) এবংআইওএমজাতিসংঘেরআবাসিক সমস্বয়কারীর (ইউএনআরসি) পক্ষেএকটিবিজ্ঞপ্তিপ্রকাশকরেছে, যাতেবলাহয়েরছে যে, উল্লেখিততহবিলেরজন্য এনজিওগুলিকে২ জুলাইয়ের মধ্যে আবেদনকরতেহবে। এই তহবিলপরিচালিতহবেআইওএম-এরমাধ্যমে।সিসিএনএফউল্লেখকরে যে, গ্র্যান্ডবার্গেইনেরপ্রতিশ্রæতিমালাসহএবংবিভিন্ন দলিলেজাতিসংঘ অঙ্গসংস্থাসমূহ এবংআন্তর্জাতিকএনজিওগুলোস্থানীয়করণবান্তবায়নেরপ্রতিশ্রæতিব্যক্ত করেছে, কিন্তুআগস্ট ২০১৭-এ নতুনকরে রোহিঙ্গাসংকট তৈরিরহওয়ারপরইতিমধ্যে ৩৪ মাস পেরিয়ে গেলেও, স্থানীয়করণবাস্তবায়নেঅনাকাক্সিক্ষতভাবেবিলম্বিতকরাহচ্ছেএবংনানাভাবে স্থানীয়করণের চেতনাকেঅস্বীকারকরাহচ্ছে।
পালস’রনির্বাহীপরিচালকএবংসিসিএনএফ-এর কো-চেয়ারআবুমোর্শেদ চৌধুরীবলেন, এই তহবিলেরজন্য আবেদনের শর্ত হলোএনজিওগুলিরনিজস্ব স্বতন্ত্রপ্রকল্পথাকতেহবেএবংআইএসসিজি কর্তৃক প্রস্তুতকৃতযৌথসাড়াদানপরিকল্পনাবা জেআরপি’রঅংশ হতেহবে। তিনিপ্রশ্ন তুলেন, কোনও স্থানীয়এনজিওকিভাবেপ্রকল্পবাস্তবায়নেরজন্য নিজস্ব তহবিল যোগাড়করবে। যেহেতুআইএসসিজিজাতিসংঘএবংএবং কয়েকটিআইএনজিওদ্বারাসম্পূর্ণরূপেপরিচালিত হয় এবং স্থানীয়এনজিওগুলিকে সেখানে কোনপ্রবেশাধিকার দেওয়া হয় না, তাহলে স্থানীয়এনজিওকিভাবে জেআরপিপ্রক্রিয়ায় অংশ নিবে? আন্তর্জাতিকএনজিওগুলোরজন্য বিশ্বব্যাপীতহবিলসংগ্রহেরঅনেকসুযোগরয়েছে, তাইজাতিসংঘ অঙ্গসংস্থাগুলোরউচিৎ কেবল স্থানীয়এনজিওগুলিকেতহবিলদেওয়ার ক্ষেত্রেঅগ্রাধিকার দেওয়া। এছাড়াওকক্সবাজারে এই স্থানীয়এনজিওগুলি, সিবিও (কমিউনিটিবেইজডঅর্গানাইজেশন) এবং স্থানীয়সরকারপ্রতিষ্ঠানগুলো রোহিঙ্গা সংকটেসবারআগেসাড়া দিয়েছিলো, তাদের স্বীকৃতিদিয়েএবংতহবিলপ্রাপ্তিরপ্রক্রিয়াসহজতরকরাউচিত। তিনিঅভিযোগকরেন, এই ধরনেরশর্ত স্থানীয়এনজিওগুলোকেবাদ দিয়ে বিদেশিনির্দিষ্ট কিছুএনজিওকে দেওয়ার কৌশলহতেপারে।
মুক্তি কক্সবাজার’রনির্বাহীপরিচালকএবংসিসিএনএফ’র কো-চেয়ারবিমল চন্দ্র দে বলেন, দেশীয়এনজিওগুলিকেসাব-কন্ট্রাক্টরহিসাবেসংজ্ঞায়িতকরা হয়েছেএবংস্থানীয়করণেরভুলব্যাখ্যাকরা হয়েছে। এর অর্থ আসলেপরিস্থিতিএমনভাবে প্রস্তুতকরা হয়েছেযাতে স্থানীয়ও জাতীয়এনজিওগুলির স্বাধীনভূমিকাহ্রাস করা যায়এবং বিদেশিএনজিওগুলোরনিয়ন্ত্রণআরও পাকাপোক্ত করাযায়। তবেনীতিগতভাবেআন্তর্জাতিকএনজিওগুলোকেতাদেরনিজনিজ দেশগুলো থেকে তহবিলআনতেহবে। কক্সবাজারবাবাংলাদেশ থেকে তাদের অর্থ সংগ্রহকরাউচিৎনয়। তারাপ্রকৃতপক্ষেসহায়তাব্যবসারসংস্কৃতি তৈরিকরছে, তারাশরণার্থী এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীরক্ষমতায়নে খুব কমইভূমিকারাখছে।
কোস্ট ট্রাস্টেরনির্বাহীপরিচালকএবংসিসিএনএফ’র কো-চেয়ার রেজাউলকরিম চৌধুরীবলেন, বিজ্ঞপ্তিটি গ্র্যান্ডবার্গেইনেরপ্রতিশ্রæতিমালা থেকেএকটি স্পষ্টবিচ্যুতিএবংএটি কভিড১৯ নিয়ে স্থানীয়করণবিষয়েজাতিসংঘেরসর্বোচ্চকমিটিইন্টারএজেন্সি স্ট্যান্ডিংকমিটিরনির্দেশনারওব্যত্যয়ঘটিয়েছে। এই নির্দেশনায় কভিড১৯ মহামারীরসময়স্থানীয়, জাতীয় সংস্থা এবংস্থানীয় সরকারসংস্থাগুলোর নেতৃত্বপ্রতিষ্ঠারকথাবলাআছে। তিনিআরওবলেন, খুব কম জাতিসংঘ অঙ্গ সংস্থা এবংআইএনজিওরইঅংশীদারিত্বেরনীতিমালাআছেযাকিনাস্থানীয়সামাজিকঅবস্থাএবংরোহিঙ্গা সঙ্কটের সম্ভাব্য প্রবণতাবিশ্লেষণেরভিত্তিতে প্রস্তুত।,তাদের স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলকঅনুশীলনও খুব কমআছে। এ কারণেইতারাতাদেরপছন্দমতোএমন সব স্থানীয়ও জাতীয় প্রতিষ্ঠানকেঅংশীদারিহিসেবে বেছেনিচ্ছে, যারাকখনো কোনওবিষয়েপ্রশ্নতুলবেনা । হাজারমাইল দূর থেকে কক্সবাজারেএমনঅনেকএনজিওকেনিয়েআসাহয়েছে, যারা অর্থ প্রবাহনা থাকলেনিমিষেইহারিয়েযাবে। অনেকআন্তর্জাতিকএনজিওইচার্টার ফর চেঞ্জেরপ্রতি কোন সম্মানজানায়না।
হেল্পকক্সবাজারেরনির্বাহীপরিচালকএবংএনজিওপ্লাটফরমের কো-চেয়ারআবুলকাশেমবলেন, রোহিঙ্গাসংকট মোকাবেলায়একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতিরপ্রয়োজন, কিন্তু স্থানীয় এনজিওএবং স্থানীয়সরকারপ্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণেরএকটিসুষম ও ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতিকুবকমইআছেজাতিসংঘেরবিভিন্ন অঙ্গসংস্থার।আমরামনেকরি, আবেদনের জন্য মাত্র ২ দিনেরসময় বেঁধে দেওয়া স্থানীয়এনজিওদেরকেবঞ্চিতকরার কৌশল।স্থানীয়সরকারএবং স্থানীয়এনজিওদেরস্বার্থেরবিষয়টিযথাযথভাবেবিবেচনাকরা হয়েছেকিনা, সাহায্যের অর্থ এখানেআসছেকিনা, নাকিউন্নতদেশে ফিরেযাচ্ছে সেটাএনজিওব্যুরো তথাসরকারের দেখাউচিৎ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি, কক্সবাজার ও ঢাকা, ১ জুলাই ২০২০

আমাদের ফেসবুক পাতা

প্রয়োজনে কল করুন 01740665545

আমাদের ফেসবুক দলে যোগ দিন


Translate »