যেভাবে ধরা পড়ল নারীদের মরদেহের সঙ্গে ‘যৌন লালসা চরিতার্থ’ করার অভিযোগে ধর্ষক মুন্না

নভেম্বর ২০ ২০২০, ১৬:১৭

Spread the love

রাজধানীর একটি হা’সপাতালের মর্গে ময়নাত’দন্তের জন্য নেওয়া নারীদের ম’রদেহের সঙ্গে ‘যৌন লা’লসা চরিতার্থ’ করার অভিযোগে বৃহ’স্পতিবার মুন্না ভগত (২০) নামে এ’কজনকে গ্রেফতার ক’রেছে পুলিশের অপ’রাধ তদন্ত বিভাগ, সিআইডি।

গ্রেফতার হ’ওয়া মুন্না ওই হাসপাতালের ম’র্গের ডোমের সহকারী হিসেবে কাজ কর’তেন বলে সিআইডির বি’বৃতিতে জানানো হয়েছে।

সিআ’ইডির ধারণা, অন্তত দে’ড় বছর ধরে মর্গে আসা না’রীদের মরদেহের সঙ্গে যৌ’ন মিলন করে আসছিলেন অ’ভিযুক্ত।

সিআইডির বিবৃ’তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশে ধর্ষণ, হত্যাসহ যে’সব ঘটনায় মরদেহ ময়’নাতদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়, সেসব আলামতের ডিএনএ পরীক্ষা এবং প্রো’ফাইল তৈরি করে থাকে সিআইডি।

২০১৯-এর মা’র্চ থেকে ২০২০-এর আগস্ট প’র্যন্ত একটি মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মে’ডিসিন বিভাগ থেকে পাওয়া মৃত নারীদের দে’হে পুরুষ শুক্রানুর উপস্থিতি পায় সি’আইডি। কিন্তু একাধিক না’রীর মরদেহে এক’জন পুরুষের শুক্রা’নুর উপ’স্থিতি তাদের চমকে দে’য়। তারা সেই পুরুষকে চি’হ্নিত করার জন্য মাঠে নামে।

বিবৃতিতে সি’আইডি বলেছে, মরদেহে পাওয়া শু’ক্রানুর ওপর ভিত্তি করে সে’ই পুরুষের ডিএনএ প্রো’ফাইল তৈরি করা হয়।

পরে ঢা’কার মোহাম্মদপুর ও কাফরুল থা’নার কয়েকটি ঘটনা থে’কে পাওয়া ডিএনএ প্রো’ফাইলের সঙ্গে সন্দে’হভাজন ব্যক্তির ডিএনএ প্রো’ফাইল মিলে যায়।

প্রাথমিকভাবে সি’আইডির ধারণা ছিল, প্র’তিটি ক্ষেত্রে একজন ব্য’ক্তি ভুক্তভোগীকে ধর্ষ’ণের পর ‘হ’ত্যা করেছে অথবা হ’ত্যার পর ধর্ষণ করেছে।

তবে পরে আরও বিস্তারিত অনুস’ন্ধান ও বিশ্লেষণের পর সি’আইডি সিদ্ধান্তে পৌঁ’ছায় যে কোনো একজন ব্য’ক্তি মরদেহের ওপর ‘বিকৃত যৌ’ন লালসা চরিতার্থ’ করছে।

পরে সি’আইডির গোপন অনুসন্ধানে বেরি’য়ে আসে যে প্রত্যেক ভু’ক্তভোগীর মরদেহের ময়’নাতদন্ত একটি নির্দিষ্ট হাস’পাতালের মর্গে করা হয়েছে।

হাসপাতালটির ম’র্গের কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে অ’নুসন্ধান করে সিআইডি জানতে পা’রে যে, ময়নাতদন্তের জ’ন্য মর্গে নেওয়া মরদেহ ব্যবচ্ছেদ করার উ’দ্দেশ্যে পরের দিন মর্গে রে’খে দেয়া হতো।

মর্গের কা’র্যপদ্ধতি বিশ্লেষণ করার পর ত’দন্তকারীদের সন্দেহ হয় যে ম’র্গের ডোমদের কেউ অপরাধ সং’ঘটন করে থাকতে পারে।

সন্দেহের ভি’ত্তিতে ওই নির্দিষ্ট হাসপাতা’লের ডোমদের গতিবিধি পর্যালো’চনা করে তদন্তকারীরা। ও’ই তদন্তের সময় জানা যা’য় যে হাসপতা’লটির একজন ডোম পাঁচটি ঘট’নার সময় ভুক্তভোগীর ম’রদেহ পাহারা দেওয়ার জন্য রা’তে মর্গে ছিল।

এরপর বিস্তা’রিত তদন্তের পর তথ্যপ্রমাণ সা’পেক্ষে সিআইডি নিশ্চিত হয় যে অ’ভিযুক্ত ডোম এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত।

অভিযুক্ত যুবক তদ’ন্তের বিষয়টি আঁচ করতে পেরে গাঢাকা দেয়। পরে বৃ’হস্পতিবার রাতে সিআইডি তা’কে গ্রে’ফতার করে।

সিআইডি জানায়, প্রা’থমিক জি’জ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত তার বিরু’দ্ধে আনা অভি’যোগ স্বীকার করেছে।

সূত্র: বি’বি’সি

আমাদের ফেসবুক পাতা

প্রয়োজনে কল করুন 01740665545

আমাদের ফেসবুক দলে যোগ দিন


Translate »