গরম চা ঢেলে শি’শুর শরীর ঝলসে দিলেন শিক্ষক

সেপ্টেম্বর ২৫ ২০২০, ২১:২০

Spread the love

সিলেটের জৈন্তাপুরে ম’সজিদে (মক্তব) পাঠদানের সময় এক শিক্ষক ফ্লাক্সের গরম চা ঢেলে দিয়ে ৭ বছরের শি’শুর শরীর পুড়িয়ে দেওয়ার অ’ভিযোগ উঠেছে।
গত মঙ্গলবার ভোরে সীমান্তবর্তী জৈন্তাপুর উপজে’লার হেমু তিনপাড়া পশ্চিম মহল্লা জামে ম’সজিদের মক্তব্যে এ ঘটনা ঘটে। তবে অ’ভিযু’ক্ত শিক্ষকের দাবি, দুর্ঘ’টনাবশত শিক্ষার্থীর গায়ে গরম চা পড়ে গেছে।

নাবিল উপজে’লার ফতেহপুর (হরিপুর) ইউনিয়নের হেমু মাঝপাড়া গ্রামের এখলাছ উদ্দিনের ছে’লে। সে স্থানীয় হেমু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। শি’শুটির বাবা এখলাছ উদ্দিন চাকরির সূত্রে হবিগঞ্জে থাকেন।

এখলাছ উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে নাবিল গ্রামের মক্তবে আরবি পড়তে যায়। সেখানে আরেক শি’শুর সঙ্গে কথা বলায় শিক্ষক আব্দুল করিম ফ্লাক্সের গরম চা তার শরীরে ঢেলে দেন।

এতে তার গলা ও ঘাড়ের অনেকখানি পুড়ে চামড়া উঠে যায়। এ ঘটনার পর শি’শুর মাকে চাপ দিয়ে কাউকে বিষয়টি জানাতে নিষেধ করা হয়। পরে স্থানীয় একটি ফার্মেসি থেকে তাকে ওষুধ এনে দেওয়া হয়।

জৈন্তাপুর থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) মহসিন আলী জানান, ঘটনার পর শি’শুর পরিবার অ’ভিযোগ করেনি। তবে, খবর পেয়ে পু’লিশ সেখানে গিয়ে অ’ভিযু’ক্ত শিক্ষককে খুঁজে পায়নি।

এদিকে আজ শুক্রবার বিকেলে শি’শুটিসহ অ’ভিভাবকরা থা’নায় হাজির হয়ে অ’ভিযোগ করেছেন। শি’শুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করছে পু’লিশ। অ’ভিযু’ক্ত শিক্ষককে আ’ট’কে অ’ভিযান চলছে বলেও জানান ওসি।


Translate »