এনজিও কর্মীদের জন্য সমন্বিত টেকসই পরিকল্পনা প্রনয়ন সময়ের দাবি

অক্টোবর ০১ ২০২০, ১১:০৩

Spread the love

এনজিও কর্মীদের জন্য সমন্বিত টেকসই পরিকল্পনা প্রনয়ন সময়ের দাবি

 

বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ করে মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এনজিওদের ভূমিকা অপরিসীম । এমডিজি অর্জনে এনজিওগুলো বিশেষ অবদান রেখেছে। কিন্তু তার প্রকৃত স্বীকৃতি কই ? । জাতীয় অর্থনীতিতে এনজিও কর্মীদের ভূমিকার স্বীকৃতির প্রয়োজন রয়েছে সাথে সাথে টেকসই পরিকল্পনা । পরিকল্পনার ক্ষেত্রে গুরুত্ব পেতে পারে ।
– এনজিও কর্মীদের চাকুরিবিধি ও বেতন কাঠামো সরকার কর্তৃক নির্ধারিত করে দেয়া ।
– এনজিও কর্মীদের বীমার আওতায় আনা কারণ এনজিও কর্মীরা বেশ ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে সেক্ষেত্রে অনেক সময় কর্মীরা কাজ করা অবস্থায় আহত-নিহত হয় ।
– এনজিও কর্মীদের পিএফ, গ্যাইচ্যুটিসহ সকল সঞ্চয় যাতে সঠিকভাবে ফেরৎ পায় সে জন্য সরকারী মনিটরিং জোরদার করা ।
– দেশের উন্নয়নে এনজিওগুলো কতটুকো ভূমিকা রাখছে তা সংখ্যায় গুনগতমানে প্রকাশ করা দরকার এবং জাতীয় বাজেটে এনজিওদেও জন্য বরাদ্দ রাখা ।
– এনজিওদের জবাবহিদীতা নিশ্চিত করতে তাদের জন্য একটি নিদ্রিষ্ট মানবসম্পদ ও অর্থ-নীতিমালা থাকা প্রয়োজন যা সরকার কর্তৃক নিদ্রিষ্ট থাকবে।
– অনেক ছোট ছোট এনজিওরা কাজ পায়না সে ক্ষেত্রে স্থানীয়করণ করে সকল এনজিওদের ফান্ড দেয়ার ব্যবস্থা করা ।
– বড় বড় এনজিওগুলোকে ঋণের লাভের টাকার একটি ফান্ড তৈরী করে সহজ শর্তে ছোট ছোট এনজিওদেরকে উন্নয়ন ফান্ড হিসাবে দেয়া, যাতে ছোট ছোট এনজিওগুলো উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যেতে পারে ।
– পিকেএসএফ’র মতো আরো অর্থ-প্রদান কারী সংস্থার প্রয়োজন ।
– প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য একটি কমিটি রাখা প্রয়োজন আছে ।
– এনজিওদের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার দিকেও মনোনিবেশ করতে হবে । জাতীয় সকল পর্যায়ে যাতে এনজিওগণের প্রতিনিধিরা থাকেন সে ব্যবস্থা করা। বিশেষ করে স্থায়ী কমিটিগুলোতে ।

লিখেছেন :

মোঃ জহিরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক, জেন্ডার ও এ্যাকয়াকালচার ।


Translate »