স্বাস্থ্যের অফিস সহকারী-স্টোর কিপারও কোটিপতি!

সেপ্টেম্বর ২৩ ২০২০, ০০:৫০

Spread the love

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অফিস সহকারী থেকে হাসপাতা’লের সচিব কে নেই কোটিপতির তালিকায়। দু’র্নীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, উপরস্থ কর্মক’র্তাদের যোগসাজশেই দু’র্নীতির সিন্ডিকেট আজ প্রাতিষ্ঠানিক রুপে পরিণত হয়েছে।

অন্যদিকে ড্রাইভা’র মালেক গ্রে’ফতারের পর দুদক কার্যালয়ে এসে র‌্যা’­বের অ’তিরিক্ত মহাপরিচালক জানান, দু’র্নীতিবাজরা অ’বৈধ সম্পদ রক্ষায় স’ন্ত্রাসী ও ক্যাডার বাহিনীকে ম’দদ দিচ্ছে। এদিকে স্বাস্থ্যের ২১ কর্মক’র্তা ও তাদের পরিবার পরিজনসহ ৪৩ জনের সম্পদ বিবরণী চেয়েছে দুদক।

একদিনের ব্যবধানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৪৫ থেকে বেড়ে ৮৫ অস্বাভাবিক সম্পদশালী ও কোটিপতির বি’রুদ্ধে অনুসন্ধান ও ত’দন্ত করছে দুদক। এ তালিকায় নাম রয়েছে অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের নানা পর্যায়ের কর্মক’র্তা-কর্মচারী, ড্রাইভা’র, অফিস সহকারী থেকে স্টোর কিপার। আবার সচিব পর্যায়ের কর্মক’র্তা থেকে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী কোটিপতি বনে গেছেন। প্রত্যেকের নামেই রয়েছে অস্বাভাবিক সম্পদ উপার্জন, বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার, ক্ষমতার অ’পব্যবহারের অ’ভিযোগ।

শত কোটি টাকার মালিক স্বাস্থ্যের ড্রাইভা’র মালেক গ্রে’ফতারের পর সামনে আসা দু’র্নীতি করে কোটিপতি হওয়া সরকারি কর্মক’র্তা-কর্মচারীদের তালিকা’টা বেশ লম্বা।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুদকের সিনিয়র সচিব বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২১ কর্মক’র্তা ও তাদের স্বজনসহ মোট ৪৩ জনের সম্পদের বিবরণী চেয়ে নোটিশ দেয়া হয়েছে।

দু’র্নীতি দমন কমিশনের সচিব দিলোওয়ার বখত বলেন, ৪৫ জনের তালিকার বাইরে পরবর্তীতে তিনটা বিষয় এসেছে। একটি হলো মাস্ক, পিপিই ও যন্ত্রপাতি। তারপর এসেছে রিজেন্ট ও জেকেজি এগুলো ত’দন্ত করতে গিয়ে আরও বিভিন্ন লোকের নাম এসেছে।

এদিকে দুদক কার্যালয়ে এসে র‌্যা’­বের অ’তিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার বলেন, দু’র্নীতি দমনে এক সাথে কাজ করবে দুদক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

স্বাস্থ্য খাতে সিন্ডিকে’টের জেরেই দু’র্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এখানে সিন্ডিকেটরা সুপ্রতিষ্ঠিত। এখন পর্যন্ত যাদেরকে আ’ট’ক করা হয়েছে; তারা নিম্ন শ্রেণির কর্মক’র্তা ও কর্মচারী। তাদেরকে চিহ্নিত করে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসতে হবে এবং বিচারের আওতায় আনতে হবে।

স্বাচিপের সভাপতি ইকবাল আর্সনাল বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের কর্মক’র্তারা যে পরিমাণে দু’র্নীতি ও অনিয়মের মধ্যে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন; তার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।

রাঘব বোয়ালদেরও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।

আমাদের ফেসবুক পাতা

প্রয়োজনে কল করুন 01740665545

আমাদের ফেসবুক দলে যোগ দিন


Translate »