জ্ঞানহীন জাতির দুর্ভোগ আর মৃত্যুই শেষ পরিণতি

মে ১৮ ২০২০, ১৬:৫৯

Spread the love

জ্ঞানহীন জাতির দুর্ভোগ নিরন্তর লেগে থাকে। কারন, এরা কোখনোই শোধরাতে চায়না। নিজের মধ্যে থাকা অজ্ঞতার জালে আবদ্ধ থেকেই এরা সুখের আশায় দিন গোনে। উপরের ছবিটি আজকের মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটের। এই প্রকট মহামারী করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ অবস্থার মধ্য কিভাবে মানুষ নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অন্যকেও মৃত্যুর দুয়ারে পৌছিয়ে ঈদের আনন্দে ভাগাভাগি করতে নিজের স্থান ত্যাগ করে? ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের ঐকান্তিকতা এবং দক্ষ প্রায়োগিক কাঠামোর পরিপূর্ণ অনুশীলনের ওপরেই একটি সফল রাষ্ট্র তথা সমাজ মজবুত ভিতের ওপর আরোহণ করে। এই তিনটি নিয়ামকের মধ্যে প্রথমে ব্যক্তিকেই সঠিকভাবে গড়ে তোলা জরুরী এবং একজন সচেতন মানুষ তৈরির পেছনে পরিবারের চেয়ে বড় ভূমিকা কেউই পালন করতে পারে না। অনেকেই যে কোনো সমস্যার তৈরির পেছনে সরকারের বা বিশেষ কোনো গোষ্ঠী বা দলের দ্বায় মনে করে। এই দূরাবস্থার জন্য কি শুধু সরকার দ্বায়ী? না নিজের মধ্যে থাকা একঘেয়েমি মনোভাব ও অজ্ঞতাও? সমাজের কিছু মানুষ নিজের দূরাবস্থার জন্য নিজের ভুলের কারণ অনুসন্ধান না করে সরাসরি অন্যের বিরোধিতায় নামে। আপনি নিজে ভুলের মধ্যে থেকে কোনোভাবেই এর জন্য সরকারকে দোষারোপ করার অধিকার রাখেন না। কেননা কোনো সরকারই আপনাকে অন্যায্য কর্ম থেকে ততক্ষণ পর্যন্ত আপনাকে বিরত রাখতে পারেনা যতক্ষণ না আপনি নিজেই রাষ্ট্র ও জনগণের জন্য কাজ না করেন। আপনি ঈদে বাড়ি যাচ্ছেন অন্য দশটি মানুষের জন্য ভয়ংকর মূর্তি হয়ে, এতে লাভ কি? নাকি আপনি অনেক এগিয়ে গেলেন অন্যকেও মৃত্যুর দুয়ারে পৌছিয়ে? যেখানে পূর্বেই সরকারিভাবে এ বছর ঈদে নিজ নিজ স্থান ত্যাগ না করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কেনো আপনি অতি দাম্ভিকতা প্রদর্শন করে সমাজের তথা রাষ্ট্রের জন্য হুমকি বয়ে আনছেন এবং এরপরেও বলবেন সরকার আপনাকে যথাযথ মূল্যায়ন করেনি। আগে নিজের মধ্যে থাকা অজ্ঞতা ও দ্বায়িত্বহীতা দূর করুন পরে সরকারের সমালোচনা করুন। তাহলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যা সহজেই দূর করা সম্ভব হবে। নচেৎ আপনারই সর্বনাশ হবে সবথেকে বেশি।

লেখক: মো:খলিলুর রহমান।
ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।
ইমেইল:khaliljhalakathi@gmail.com


Translate »