মিথিলা বাংলাদেশী মডেল, তাহসানের সাবেক স্ত্রী

মিথিলার স্বামী সৃজিত করোনার টিকা নিয়ে বিপাকে !

মার্চ ২৫ ২০২১, ১৭:০৩

Spread the love

মিথিলার স্বামী সৃজিত করোনার টিকা নিয়ে বিপাকে !

আজকের ঝলক নিউজ :

 

বুধবার (২৪ মার্চ) টিকা নেয়ার পর সেই ছবি ফেসবুকে পোস্ট করলে প্রশ্নবাণে জর্জরিত হন তিনি। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে এবং ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে যাদের কো-মর্বিডিটি রয়েছে তাদেরই টিকা দেয়া হচ্ছে। কিন্তু সৃজিত মুখার্জি এখনও ৪৫-এর গণ্ডি পার করেননি। তাহলে তিনি কীভাবে টিকা নিলেন। কথায় আছে অভাগা যেদিকে চায় সাগর শুকিয়ে যায় তারে বেলায় তাই হলো ।

অনেকে প্রশ্ন করেন- তিনি কি তাহলে তার বয়সের তথ্য গোপন করেছেন। আবার কেউ জানতে চেয়েছেন-হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীরা কি তার কাছে কোনো বয়সের নথি দেখতে চাননি?

সমালোচনার মুখে শেষপর্যন্ত সৃজিত নিজের করোনা টিকা নেয়ার সেই পোস্টটি মুছে ফেলেন।

পরে আরেকটি পোস্টে বলেন, ‘আমি আমার বন্ধু ইন্দ্রনীল রায়, যে ভ্যাক্সিন নিয়েছে তার থেকে জানলাম যে টিকার বয়স সীমা ৪০-এ নামিয়ে আনা হয়েছে। কিন্তু এখন আমি জানতে পারছি যে, বয়সসীমা ৪৫ রয়েছে। আমার বয়স ৪৪।’

চলচ্চিত্র এই নির্মাতা আরও লিখেন, ‘এবার আমি তো আর নিজেকে আন-ভ্যাক্সিনেট করতে পারব না, তবে কথা দিচ্ছি, আমি আর টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেব না।’

মিথিলার সঙ্গে সৃজিত তাঁর সম্পর্ককে ‘পেশাগত বিড়ম্বনা’ হিসেবেই দেখতে চান। মিথিলা নিজেও তা মনে করছেন। বললেন, ‘আমিও এটা পেশাগত বিড়ম্বনা মনে করতে চাই। আমি মনে করি, একসঙ্গে কাজ করতে গেলে এমন কথা ছড়াতেই পারে। এসব আমাদের দেশে একটু কম হয়। আরেকটা কথা, সৃজিত তো অ্যালিজেবল ব্যাচেলর। তার সঙ্গে কাউকে দেখা গেলে এমন কথা ছড়াবে, এটাই স্বাভাবিক।

মিথিলা জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসানের সঙ্গে মিথিলার বিয়ে হয় ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট। তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয় ২০১৭ সালের জুলাই মাসে। তাঁদের একমাত্র সন্তান আইরা এখন মিথিলার কাছেই আছে। অন্যদিকে সৃজিতের ‘রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস’ ছিল সিঙ্গেল।

মিথিলা এখন ব্র্যাকে কর্মরত আছেন। তিনি ব্র্যাকের আরলি চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম বিভাগের প্রধান।

মিথিলার স্বামীর নজর এখন জয়ার দিকে, এমনকি ধর্ম ত্যাগ করতেও রাজি!

https://www.youtube.com/watch?v=EuMzqzjdK3U&list=RDMM3TQjAJZ6bcM&index=2



আমাদের ফেসবুক পাতা




প্রয়োজনে কল করুন 01740665545

আমাদের ফেসবুক দলে যোগ দিন







Translate »