গীতিকার ও সুরকার মোঃ জহিরুল ইসলাম
নির্বাচিত একশত গানের লিরিক্স
ফেব্রুয়ারি ০১ ২০২৬, ১০:১৫
মোঃ জহিরুল ইসলামের লেখা গান

দেশত্ববোধক : ১-৫
(১)
একুশ মানে ফেব্রুয়ারীর একুশের গান গাওয়া
একুশ মানে প্রেরণা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া,
এ দিন এলেই মায়ের চোখে ছলছলে নোনাজল
এ ভ্রত নিয়ে বাঙালীর বুকের জাগ্রত দাবানল ।।
একুশ মানে ভাষাশহীদের তাজা রক্ত ঢেলে দেয়া
একুশ মানে বাংলা বলে মাথা উঁচু করে চলা,
এদিন মানে দেশের ভাষায় বুক ফুলিয়ে সত্য কথা বল
দীক্ষা নিয়ে আন্দোলনে হাজারো মানুষের ঢল । ।
একুশ মানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেয়াল লিখে চলা
একুশ মানে সারা দেশে ছাত্র আন্দোলন ছড়িয়ে পরা,
এ দিন মানে স্বাধীন দেশে বাঙলা লেখার ঢল
দৃপ্ত মন নতুন শক্তি নিয়ে সামনে এগিয়ে চল । ।
(২)
যখন ভাবি দেশের কথা, দূরে সরে যায় সকল ব্যথা
আমার এ সোনার দেশটি যে তাজা রক্তে কেনা ।।
আমি দেখিনি সেই কালো রাত্রি অথবা কালো শুয়োরের থাবা
আমি পড়ে জেনেছি, নিজ কানে শুনেছি যোদ্ধাদের সব কথা ।
তাইতো আমার গর্বে বুকটা ফুলে ওঠে যথাযথা ।। ঐ
আমি মুক্তিযোদ্ধার রক্তে বেড়ে ওঠা বীর বাঙালী এক
আমি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করিনা, আমি এই বাংলার শেখ
আমি সারাটি জীবন এ দেশে কাটাবো যাবোনা অন্যথা ।। ঐ
মুক্তিযোদ্ধার কৌশল দেখে টিক্কা দিশেহারারে ।।
ভয়ের চোটে ভাবে কেমনে বাংলা যায়গো ছাড়ারে।।
রাজাকার আর আলবদরা তাদেরই পা চাটে
মৃক্তিযোদ্ধার কৌশলেতে পরলো এবার বাটেরে ।।
গুলির শব্ধ শুনে এবার পিছু হটলো তারা ।।
মা বোনদেরকে মারলো পাষাণ মারলো যুবক ছেলে
যারাও পরে বেঁচে ছিলো ভরে রাখলো জেলে ।।
মুক্তিযোদ্ধার গর্জনেতে পালালো যে তারা ।।
(৩)
হাজার নদী যেই দেশের বুঁকে সে যে কত মহান
তোমরা ভেবে দেখো তোমরা ভেবে দেখো ।।
এই দেশেরী মাটির তলে হাজার রকম ফসল ফলে
এই দেশের নোনা জলে হাজার প্রজাতির মাছ মেলে
এই দেশের মতো আর কোন দেশে পাবেনা তো মান ।।
এই দেশের মাটির উপর নেই ভেদাভেদ কোন
দিন্দু, মুসলিম বৌদ্ধ, খৃষ্টান ভাই মোরা জেনো
এই দেশের রক্তে মিশে থাকবে সবারই সম্মান ।
(৪)
মানি লোকদের কদর করতে বাংলার মানুষ জানে ।।
এই বাংলার মানুষ আপ্যায়নশীল পৃথিবীর মানুষ জানের রে ।
এই বাংলার আলো বাতাশে মায়ের আদর মেলে
বাংলা মায়ের দামাল ছেলে তাই হেসে খেলে চলে
এই দেশেতে জন্ম নিলো হাজার গুনিজনে ।। ঐ
এই দেশেতে অতিথিরা সম্মানিত হয়
নিরাপদে চলতে পারে নেই কো কোন ভয়
এই দেশের শীতল ছাড়ায় শান্তির বার্তা শোনে ।।
(৫)
বাংলায় জন্মে গর্বিত আমি
বাংলা আমার প্রাণ হা হা হা বাংলা আমার ধ্যান
বাংলার ছেলেরা বিশ্বকাপে খেলে জয় তারা সিনিয়ে আনবে
লক্ষ মানুষ আজ তাদের দিকে আজ সেই ভাবনায়
যেন তাদের সাধ পূরণ হবে ।
এই শোন বাংলার মানুষ
আমি বিশ্বকাপ আসর থেকে বলছি ।।
বাংলার দামাল ছেলে বিশ্বকাপে এসে
ক্রিটেকে শুনাম রাখবে
ভালো খেলে শোর ফসল তারা ঘুরে তুলে আনবে ।
এই শোন —
আধুনিক ৬-১৩
(৬)
আমি জানতাম, ফিরে আসবে আবার
মনের ভালবাসারি ফুল ফুটিবে আবার ।।
তুমি আমার স্বপ্ন আশা তুমি ভালোবাসা
তোমার জন্য সারাজীবন রাখছি মনের বাসা
আমার জীবন তরী তুমি যে আমার ।।
তোমায় নিয়ে গড়বো বুকে সুখের ছোট্র নীর
তোমার ভালবাসার জন্য বুুঁকে বাধবো তীর
তুমি আমার আলো তুমি যে সুখের সার ।
তোমার জন্য জীবন আমার হলো যে আজ ধন্য
কি দিয়ে প্রতিদান দেবো আমি যে নগন্য
সারা জীবন পাশে থেকো হইওনাকো পর ।
(৭)
এক ছলনাময়ী কন্যা আমার জীবনে এসেছিলো
যার উচ্ছ সারে ৫ ফুট চুলগুলো ছিলো কোঁকড়ানো ।।
তার কথা বলার ধরন ছিলো রেডিও জোকির মতো
এক কথাতে উত্তর দিয়ে দিতো প্রশ্ন হলেও শত ।
আমার জীবনে কথার ফুলঝুটি ফুটিয়ে সে চলে গেলো ।।
কথা দিয়েছিলো সে থাকবে আমার ছায়ার মতো
আসুক যতো বাঁধা বিপত্ত কঠিন হোক ঝড়ের মতো
কথাগুলো তার রয়েই গেছে সে শধু পর হলো । ।
কোন অভিষাপ দেবনা তারে থাক সে তার মতো
কষ্ট হলেও বুকে চেপে রাখবো হোক পাথরের মতো ।
এ জীবনে না হয় দেখা না হলো পরজনমে আছি বলো ।।
(৮)
ক্ষমা করে দিও প্রিয় তমো ।।
তুমি সারাটি জীবনধরে সুখে থাকবে জানি
এই বরটুকো শুধু নিও । । ক্ষমা করে দিও প্রিয় তমো ।
কথা রাখতে পারিনি বলে
দ্বাঁড়াবোনা চোখ পানে
একাই দূরে সরে যাবো
শুধু এই দো’আ মাঙি আমি, আশিশটুকু তুমি নিও ।।
যা কিছু তোমার রয়েছে আমার কাছে
সবই তো দিলাম ফিরিয়ে
ভালবাসাটুকো শুধু নিয়ে গেলাম আমি সুখটুকো তুমি দিও ।।
আমি সারাটি জীবন
অপরাধি হয়ে রবো
আমি আমার কাছে জানি শুধু অপমান করোনা মোরে ঘৃণাটুকো দিও ।।
(৯)
নষ্ট জীবন আমারি কপাল দোষ দেবো আর কারে
জীবনে আমি চাইলাম যাবে পেলান না আর তারে ।।
আমার আমি নেই তো এখন এ যেন অন্য কেউ
জীবনের স্বপ্ন ভেঙে গেছে আজ হৃদয়ে শুধু ঢেউ
আমি তোমারী ছিলাম তোমারি আছি এপারে । ।
জীবন প্রদ্বিপ নিভে যেমিন বুঝবে সেদিন তুমি বুঝবে
আমি যে তোমার কত আপন ছিলাম সে কথা ভেবে খুঁজবে
পাবেনা আর তুমি এই আমারে চলে যাবো ও পারে । ।
(১০)
আমার একটা তুমি আছো বলে আমি আজ কতো সুখি
জীবন মরন এক সাথে রবো হবনা কখনো দুঃখী । ।
তুমি আছো বলে সারাটি দিনেই হৈ হুলো চলে
তুমি আছো বলে হৃদয়টা আজ প্রেমের কথা বলে ।।
কথা দাও তুমি কোন আর দিন আর পর হবেনা সখি ।
তুমি আছো বলে বুক ফুলিয়ে আকাশের পানে উড়ি
তুমি আছো বলে জীবন মানে রঙ্গিন একটা ঘুরি ।।
করোনা কভু মান অভিমান জলে ভিজিওনা আখি ।
তুমি আছে বলে বাইকের সীট তোমারই কথা বলে
তুমি আছো বলে জীবন আমার সুস্থ ছুটে চলে ।।
হৃদয় আমার সাজিয়ে তাই তোমার জন্য রাখি ।
(১১)
বছর ঘুরে আসবে আবার তোমার জন্মদিন
বারোটি মাস কেটে যাবে বাজবে সুখের বীন
হাসবে তুমি নতুন কওে, সাজবে নতুন সাজ
তোমায় আমি ভালোবাসি কথা দিলাম আজ
থাকবো মোরা মিলে মিশে, সারা জীবন কাল
তুমি আমি উদাহরণ সকাল ও বিকাল ।
তুমি আমার ভালোবাসা তুমি আমার ঋণ
জানি অনেক ভালোবাসো তুমি যে আমায়
তুমি আমার হৃদয় বান্ধব মনোপ্রাণে চায়
তুমি আমার আশার আলো তুমি যে রঙিন
জন্মদিনে ভালোবাসা দিলাম যে তোমায়
কাঁদবেনা আর কভু তুমি কথাও দাও আমায়
তুমি আমি দুজন মিলে কাটাবো সুখের দিন
(১২)
কষ্ট দিয়েছি তোমায়
বিনিময়ে সুখ আমি পাইনি
কথা ছিলো তুমি রবে, রইলেনা আমার
ব্যথা ভরা জীবনটাকে ভরিয়ে দিয়েছিলে
শুধু তোমার ভালোবাসায়
সেই তুমি আজ নেই, তোমায় পাইনি হায়
কস্ট দিয়েছি তোমায়—
ব্যাথা নিয়ে চলে গেছো
সুখটুকো দিয়ে গেছো
তুমি দেখে যাও কি সুখ দিয়েছো আমায়
তোমায় পাইনি আমি হয়
কষ্ট দিয়েছি তোমায় ।
(১৩)
আমি তোমার কভু ছিলাম না প্রিয়জন
হয়তছিলাম প্রয়োজন ।
আমি জীবনের এপ্রান্তে এসে তা করিছি শুধু অনুধাবন ।
জানি এ জীবনের হবে একদিন শেষ
ফুরাবে যেদিন নিশ্বাস ।
পরপারে হবো আবার মুখোমুখি দুজনায়
কত আছে যে হিসাবের বিনিময় ।
সেদিন বুঝি আবার মোরে প্রিয় হবে তোমার প্রয়োজন ।।
ভেবোনা তুমি এ জীবনে যেভাবে
আগলে রেখেছি তোমায়
পরপারেও তা থাকবে
একটাই প্রশ্ন শুধু রয়ে যাবে মনে
বিধাতা কি তোমাকে বাঁচাবে ?
সেদিন তুমি বুজে নিবে আমি ছিলাম যে কত আপন ।
জারি গান ১৪-১৮
(১৪)
আয় সবে আয়রে ভাই নদীর পরিবেশ বাঁচাই
মাছে ভাতে ভাঙ্গালী গান গাই ।
নদীর পরিবেশ যদি বাঁচে, মাছ পাবো অনায়াসে
সুখে থাকবো বারো মাসে কোন চিন্তা নাই ।। ঐ
জাটকা ইলিশ ধরবনা ভাই, বড় ইলিশ খাব যে তাই
পলিথিন ময়লা আবর্জনা, নদীতে আর ফেলবনা ভাই ।
মাছের অভাব আর হবেনা জেনে রাখো তাই ।
কচ্চোপ, সুশুর, ডলফিন মাছে ধরতে আইনে বারণ আছে
নদীর জীব-বৈচিত্র রক্ষা করতে এসব প্রাণির দরকার আছে ।
একথা সবার মাঝে জানাতে হবে তাই ।
কারেন্ট,মশারী, বেহুন্দি জাল ব্যবহারে মাছের অকাল
অবৈধ জাল, অবরোধ কাল না মানলে হবে কুফল
মৎস্য আইন জানার জন্য সোচ্চার হওয়া চাই ।
তাই রাজু মিয়া যায় যে লিখিয়া ইলিশ আনো নদীতে ফিরাইয়া
নিয়ম কানন না মানিলে ইলিশ যাবে বিলিন হইয়া
মাথা ঠুকলেও কাজ হবেনা যেন রাখো সাই ।।
——-সংক্ষিপ্ত
(১৫)
চলো চলো সবাই মিলে টিকাকেন্দ্রে যাই
৫ বছরের সকল শিশুকে পলিও টীকা খাওয়াই ।
পলিও মুক্ত বাংলা গড়তে রাখবো অবদান
সন্তান সব বেড়ে উঠবে সমানে সমান । ।
সরকার দিবে ফ্রি টীকা চিন্তার কারণ নাই
সবাই মিলে এবার টীকা কেন্দ্রে যাই ।।
বাড়ীর পাশে টীকা কেন্দ্রে যেতে সরম নাই
সঠিক সময় টীকা নিলে জীবন রক্ষা পায় ।।
টীকা কেন্দ্রে শিশু যাবে কোন চিন্তা নাই
সেচ্ছাসেবী টীকা নিয়ে বসে আছে ভাই ।।
একটি শিশুও বাদ যাবেনা মনে রাখা চাই
সবাই মিলে পলিও মুক্ত বাংলা গড়বো ভাই ।।
সংক্ষিপ্ত—-
(১৬)
ওরে আমার প্রাণের ভাই খাদ্য ভেজাল কেউ দিয়োনা
তাজা জীবন নিজের হাতে ধ্বংশ কইরো না ভাইরে।।
খাদ্য ভেজাল দিলে পড়ে হইবে মহাপাপ
আখিরাতে প্রশ্ন করলে কি দেবে জবাব ভাইরে ।।
সময় থাকতে সোজা হও নইলে রক্ষা পাবেনা ।
খাদ্য ভেজাল দিলে পড়ে নিজের ক্ষতি হয়
এ কথাটি মনে রেখে আর ভেজাল নয় ভাইরে ।।
নিজের সন্তান রক্ষা করো এই হোক ভাবনা ।
খাদ্য ভেজাল মৃত্যুর কারন মনে রাখা চাই
খাদ্য ভেজাল দিলে পরে আইনে নিস্তার নাই ভাই ।।
নিজের পায়ে নিজে কুড়াল আর নিজেই মাইরনা ।
——-সংক্ষিপ্ত
(১৭)
উন্নয়নে অংশ নিন নিয়মিত কর দিন ভাইরে নিয়মিত করদিন
বেশি বেশি কর দিলে দেশের উন্নয়ন এ কথাটি মনে মনে রাখিও স্মরণ ।।
করের টাকায় উন্নয়ন হয় জেনে রাখা চাই
নিয়মিত কর দিয়ে দেশের উন্নয়ন চাই
উন্নয়নের হিসাব নিতে কোন বারন নাইরে ভাই ।।
নিয়মিত করলে দিবে সু-নাগরিক সে ভাই
বকেয়া কর দেশের ক্ষতি মনে রাখা চাই
উন্নত দেশ হতে চাইলে করের বিকল্প নাইরে ভাই ।।
করের টাকা নিজের জেনে রেখো ভাই
এই টাকাতেই চাকা ঘোরে কোন চিন্তা নাই
সু-নাগরি হলে সবাই দেশ সামনে যাবে ভাইরে ভাই ।।
(৫)
লাই লাহা ইল্লাললাহু মুহাম্মাদ রাসূল
ফিরে কভু আসবেনা আর মদিনার বুল বুল
আমার নবী সেরা নবী দোজাহানের কূল রে
লা ইলাহা–
সবার আগে ত্রি ভূবনে সৃষ্টি হইয়াছে সে
জন্ম লইয়া এই ধরাতে কস্ট সইয়াছে
শত কস্ট সইয়া একটা শান্তির ধর্ম জন্মাইছে রে
লাই লাহা–
সোমবারেতে জন্ম যাহার সোমবারে মরণ
তাহার কথা আকাশ বাতাশ রাখিবে স্মরণ
হাসরে যে পার করিবে কঠিন পুলসুরত রে
লাইলাহা—-
আল্লার দিদার পাইয়া নবী ধন্য হইয়াছে
পবিত্র কোর-আর তার উপর নাজিল হইয়াছে
শ্রেষ্ঠ নবীর খেতাব দোজাহানে পাইয়াছেন রে
লাইলাহা—-
৯
(১৮)
বিসমিল্লাহ বলিয়া আমি জারি করলাম শুরু
অনাথেরে নাথগো আল্লাহ দয়া করেন গুরু
পার করো করো গুরু পার করিয়া লও
তুমি পারনা করলে তবে যামু কোথায় কও ।
এই ধরাতে দুটি জানি নারী ও পুরুষ
প্রাপ্ত বয়স্ক হইলে হবে মাসিক ও স্বপ্নদোষ
স্বপ্নদোষ বলা হলেও দোষের কিছু নয়
ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক হলে এই ঘটনা হয় ।
কথায় কথায় বেলা যাবে আর তাই কথা না বাড়াই
হায়ওে মাসিক কালি পরিস্কার থাকবো জেনে রাখা চাই ।
মাসিক মানে ঋতুচক্র চিন্তার কারন নাই
মাসিক মানে অসুস্থ নয় মনে রাখো ভাই
মাসিক হলে নারী তুমি জানান দিলে তাই
মাসিক ছাড়া সন্তান হয়না একথা জানাই ।
ওরে মাসিক নিয়ে চিন্তা করার কোন কারণ নাইরে ঐ
মাসিক হলে পরিস্কার থাকবো জেনে রাখা চাই
সব খাবারই খাওয়া যাবে কোন বারণ নাই
কথার কথা কুসংস্কার সে দিকে না যাই
ব্যাথা একটু বেশি হলে ডাক্তারের সাহায্য চাই
ওরে মাসিক নিয়ে চিন্তা করার কোন কারণ নাইরে ঐ
বাজারেতে আসে অনেক স্বস্থ্যকর ন্যাপকিন
যতি সামর্থ না থাকে পরিস্কার শুকনা কাপড় নিন
করা রোদে শুকাই নিবেন জেনে রাখুন তাই
মাসিক একটি স্বাভাবিক নিয়ম জেনে রাখো ভাই ।
ওরে মাসিক নিয়ে চিন্তা করার কোন কারণ নাইরে ঐ
১০
ভক্তিমূলক ১৯-২৩
(১৯)
হিসেব করো ওহে মনা
হিসাব করে চল্
মনে করো ক’দিন পরেই
কমবে গায়ের হায়রে কমবে গায়ের বল ।
শরীরটা তোর হবেরে ক্ষয় হবে শূণ্য ও বিকল
সময় থাকতে সযোগ বুঝে সোজা পথে চল ।
অনেক হয়েছে এবার সোজা কথা বলরে—
ওরাসনা আর কস্টের টাকা, করিসনাকো ছল
এভাবে আর চলবে কতো মনে একবার বল
অনেক হয়েছে এবার ঘরের কথা বলরে–
বাঁকা পথে হাঁটিসনা আর দেখাস না আর বল
দু’দিন পরে সব থামিবে ঝড়বে চোখের চল
তখন তোকে কে বাঁচাবে ভেবে চিন্তে বলরে—
(২০)
দেখা দাও দেখা দাও মাগো দেখা দাও আমারে
একবার পাইলে গাঁথিয়া রাখবো কলিজার ভিতরে ।।
এই জগতে মাগো যদি তোমারে না পাই
পরপারে একই সাথে থাকতে মাগো চাই ।।
তুমি বিনে এই পরান আর ঘরে থাকে নাইরে ।
এক ঘরেতে থাকবো মাগো পরোজনমভর
জান্নাত নামক সে ঘরে থাকবেনা কেউ পর ।।
তুমি বিনে থাকবোনা’ক সেই সুন্দর ঘর ।
(২১)
তোমরা জাননি বরিশাল পীরেরী ক্ষণি (২)
তোমারা জাননি পীরের মধ্যে আছে মধ্যমনি
চরমোনাই ও ছারছীনাতে বড় মাহফিল বসে
মির্জাগঞ্চে নদীর পাশে এক পীর শুয়ে আছে
হদুয়ার পীর, নেছারাবাদ তারাও চোখেরমণি ।।
চলা ভাঙ্গা, বদর পুরে দুজনা পীর আছে
ফুরফুরা, পাঙ্গাসিয়া আরো দুইজন কাছে
আরো অনেক পীরের মাজার বাদ পরেছে জানি ।।
পীরে পীরে পীরের খ্যালা আমরা না তা জানি
নিজের জ্ঞানকে ঝালাই করতে আমরা তাদের মানি
তাদের কথা তারাই জানেন, আমরা শুধু শুনি । ।
সারা দেশের মানুষ আসে মাহফিল হলে দেখি
আল্লার যিকির হয় যেখানে চরণ সেথায় রাখি
সারা দেশের মানুষ আসে, আমার তাদের শুনি । ।
(২২)
ছাট কালে বাপে মরছে চাচার পাশে থুইয়া
সেই চাচায় মোরে ঠাকাইয়াছে এতিম পোলা পাইয়ারে
আমার জীবনের ভরসা তুমি আল্লাহ, আমার বিপদের ভরসা তুমি আল্লাহ ।
চাচায় মোরে বিয়া করায় ১২ বছর ধইরা
শিশুকালে সংসার শুরু, পড়া লেখা থুইয়ারে—
আমারা জীবনের——
চাচায় মোরে আলাদা করে, মাকে নিকাহ কইরা
পশ্চিম দিকে ঠেলিয়া দেয় ঠালা যায়গা পাইয়ারে—
ঠালা যায়গায় ঘর করিলাম, নিজে মাঠি ভইরা
চাকুরি ছাইড়া সংশার করি, অবুজ বউরে লাইয়ারে—
চাচার পোলায় চাকুরি করে ব্যংকের পানে যাইয়া
আমি আল আলুডি করি, জীবনের লাগিয়ারে —।
এক বাপের এক ছেলে যে মুই হুনছি মায়ের কাছে
আমার লাইগা কোর্ট প্যান্ট কিনছে বাবায় আমি হওয়ার আগেরে—-
খুব আদরের হব আমি বলতো বাবায় মায়রে
সেই জীবন আজ এমন হলো ওরে হায় হায়রে—-
পোলা পান মোর বড় হইছে দূঃখ আমার নাইরে
জীবন সাথে চইলা গেছে, একলা ঘরে রইরে—
(২৩)
যতই তুমি সাধু সাজো তত সাধু না
মনে রেখো পাপ কখনো বাপরে ছাড়বেনা ।
রে বন্ধু বাপরে ছাড়বেনা ।
যার কবরে সে যাবে অন্য যাবেনা
সে দিন তোমায় কে রুখিবে ভেবে দেখোনা
আমলনামা হাতে দিলে রক্ষা পাবেনা । । মনে রেখো
সময় থাকতে স্বরুপ জেনো মরণ ভুলনা
সময় থাকতে না সুধিলে পাড় তো পাবেনা
পরপারে কোন আরজি কাজে আসবেনা ।। মনে রেখো
ছড়া গান : ২৪-২৮
(২৪)
ব্যঙ মিয়ারে পিছন থেকে ল্যাং মেরেছে কে
ব্যঙ মিয়া কেঁদে বলে ছেড়ে দেরে দে
হঠাৎ করে পিছনের দিকে তাকি দেখে প্যাঁচ ।
ব্যাঙ মিয়া কেঁদে বলে ছেড়ে দেরে দে
এমনি একটু সুযো পেয়ে সামনে চলে ব্যচ
পুকুর জলে ঝাপ দিয়ে রুখে সর্বনাশ ।।
(২৫)
বৃষি পড়ে মাঠে দাগ লেগেছে শার্টে
আম্মু আমায় বকবে শুধু নিবে আমায় ঘাটে
ঘাটে নিয়ে শার্ট আমার কাঁচবে ধুমাধুম
নতুন শার্টে বুতামগুলো হবে যে পুরান
বৃষ্টি তুমি আসলে কেন এইনা অসমায়
সাদা শার্ট পরে আসলাম কেন দেখোনায়
আবার যদি আসো এমন জানাবে আমায়
কালো একটি শার্ট পরিবো ভিজবো অজানায়
সকাল থেকে বিকাল অবধি ভিজবো আমি তাতে
ছোট্র পরী বোনটি আমার থাকবে আমার সাথে
বইগুলো মুড়িয়ে নেবো বোনের জামায় তুলে
আমিও বোন ভিজমো মোরার মনের সুখে মিলে ।।
(২৬)
বাথরুমে গেলে শুধু দেখি তেলাপোকা
বাবা ও মামা রেখে বলে ভয় পাও কেন বোকা
আমি তাদের কেমনে বলি দুষ্ট তোরা হায়
ফুড়–ৎ ফুড়ুৎ উড়ে উড়ে শুধু মুখের দিকে আয়
তর তরে করে এ ঘর থেকে ও ঘরেতে যায়
ঘুমের ঘোরেও স্বপ্ন দেখি তেলা পোকায় খায় ।
সকাল বিকাল তাড়াই তাদের দিনে আর না দেখি
সন্ধ্যা হতেই ফরিংরে মতো করে লাফালাফি
আম্মু বকে আব্বু বকে করলে মাতামাতি
কেমনে বুজাই সকল কিছু তেলাপোকার তেলেসমাতি ।
(২৭)
বিড়াল ছাড়া ফোন করেছে ইঁদুর ছানাকে
কাল মোরা চড়–ইভাতি খেলবো এক সাথে
ইঁদুর ছানা খুশিতে আজ হলো আতœহারা
ভাবতে থাকে কখনযেসে হবে গর্তহারা
সেজেগুজে পাতিল নিয়ে মায়ের কাছে যায়
বিড়াল ছানার সাথে খেলার অনুমোতি চায় ।।
ইঁদুর ছানার মায়ের মাথায় দিলেন একটি হাত
বল্লেন, ওমা ইঁদুর বিড়াল অনেক অনেক আছে যে তফাৎ
ছোট্র ইঁদুর কিছুতে আর শুনতে চায়না বারণ
বিড়াল ছানার সাথে চড়–ইভাতি হবে অসাধারণ ।
বিড়াল ছানা উঁকি মারে গর্তের চারো দিকে
ইসারাতে ইুঁদর ছানাকে বারে বারে ডাকে
ইঁদুর ছানা গর্তে বসে হাসে আর কয়
তুমি হলে বিড়াল ছানা তোমার সাথে খেলা নয় । ।
তোমার সাথে খেলতে আমার মায়ের আছে মানা
এর কারন কি ছোট্র আমি নেইতো আমার জানা ।
(২৮)
আমরা ছাত্র আমরা শক্তি
আমরা স্বাধীন আমরা মুক্তি
আমার অসীম আমরা তরুন
আমরা নবীন,আমরা বরুন ।
মোরা যোগ্যজনের মূল্যদিতে
সদা প্রস্তুত রই ।
মোরা গুরুজনের কথা শুনতে
আকুল হয়ে রই ।
আমরা আনিবো শান্তি
মোদের থাকবেনা কোন ক্লান্তি
মোরা রোধ করিবো অন্যায় যতো
ধরবো চেপে টুটি ।।
মোদের হবে সেদিন ছুটি ।
বরিশালের আঞ্চলিক গান (২৯-৩৪)

(২৯)
ধান নদী আর খাল, মোগো বাড়ি বরিশাল
মোগো দাদায় চহিদার, মোরা আইনের লোক ( ৩)
মোরা সৎ পথে চলি মোরা সত্য কথা বলি
মোরা আইন মাইন্না চলি, মোরা ন্যায়ের কথা বলি
হেইয়ার লইগ্গা মোরা বোলে কারোরে না ডরি
————আইনের লোক, মোরা আইনের লোক ।
মোগো আছেন আনেক জ্ঞানী, মোগো আছে অনেক গুনী
মোগো আছে মাছের ক্ষণি, আছে দিগন্তের হাতছানি
ধান, নদী, খাল-বিলে স্বপ্নের ছবি বুনি ।
————আইনের লোক, মোরা আইনের লোক ।
মোগো আছে গ্যাসের ক্ষণি, মোগো আছে নদীর ক্ষণি
মোরা বাংলা ভ্যনিস জানি, মোরা মানি লোকদের মানি
শে-র-ই বাংলা আছে মোগো, সে চোখোর মনি
মোরা সকল তথ্য জানি, মোরা আইনের শাসন মানি
মোগো আলতাফ হোসেন, আব্দুল লতিফ বাংলা গানের ক্ষণি
কামিনি রায়, সুফিয়া কামাল, জীবনান্দ দাস অনেক দামি
—– আইনের লোক, মোরা আইনের লোক ।
তাল, নারিকেল-সুপারি বাগান থেকে পাইড়া আনি
আমড়া, তরমুজ, পেয়ারা, খাইয়া রাজু মাতওয়ারা
কুয়ায়াকাটার লাইগা লোকে বলে মোগো ধনী
————আইনের লোক, মোরা আইনের লোক ।
(৩০)
মনুরে হোয়াই থো হোয়াই থো
দক্ষিণের ঘরে মনুরে হোয়াই থো–রে ।
মনুরে হোয়াই থো হোয়াই থো
সকালের রৌদ্রে মনুরে হোয়াই থো রে–
দক্ষিণেরও বাতাসেতে মনু ঘুমাইবো
নদীর পারের সিক্ত বাতাস গায়েতে লাগবো
সকালের রদ্দুরেতে মনু ঘুমাইবো
ঘুমের মধ্যে মনু অনেক ভিটামিন পাইবো ।
৬ মাস অবধি মনু শুধু খাইবো বুকের দুধ
৬ মাস পরে মনুরে দিবি সিক্ত খুত
সব খাবারি খাবে মনু আস্তে আস্তে করে
এভাবেই মনু মোগো উঠবে বেড়ে আগে ।
৫ বছর অবধি মনুর হবে যে বিকাশ
এই সময়ে করবো মোরা হিসাব নিকাশ
মনুর জন্য করমু মোরা কিছুটা সঞ্চয়
নিরাপদে পড়বে মনু হবে সে যা চায় ।
(৩১)
কই গেলে হেই দিন মোগো কই গেলো হেই দিন
আইবে কি আর র্ফিরা হেই সুখের দিন বলো হেই সুখের দিন
পৌউস মাসে ধান টোহাইতাম হেয়া দিয়া মুড়ি কিনতাম
মাঘ মাসে ইঁদুর গারা খুইতাম, হেখান থেকে ধান পাইতাম
ধান বেইচা মোয়া কিন্না শুধু চাবাইতাম
আর কিছু টাহা মিলাইয় জারি গান দেখাইতাম–রে।
কোলার মাঝে টোঙ উঠায়া রাইতে থাকতাম শুইয়া
পাশ দিয়া কেউ হাইটা গেলে উঠতাম যে চিল্লাইয়া
ঘরের পাশে ধানের আডা থুবইতো যে ফালাইয়া
কুডার মধ্যে ঘুমাই থাকথাম, শরীরটা চুলকাইয়া–রে
রসের দিনে রসের পিডা, ধানের মধ্যে ডিম দিয়া
সিদ্ধ কইরা খাইতাম মোরা মায়ের আচলে লুকাইয়া
বাবায় দিতো উঠানে মেই অনেক গরু দিয়া
মাঝে মধ্যে তালগুরি খাইতাম মলার মধ্যে গিয়া—রে ।
শীতের দিনে শীতের মিঠা, হাসের মাংশ রুটি পিঠা
বড় বুয়া, ফুবু জানে আইলে হয়ইতো আরো মজা
শাখ সবজি, তরি তরকারী তুলতাম খেতে যাইয়া
কলাই শাখে ডিম মিশাইয়া খাইতাম মজা কইরা রে— ।
আইবো কি সেই দিন ফিরা আইবো কি সেই দিন ।
(৩২)
তোমার লগে মোর প্রথম দেহা
হইছিল কৃর্তনখোলার বট তলায়
সেই থেইকা মোর মনের মালা, দেছেলাম তোমার গলায় ।
এর পরে অনেক দেখা করছি রেষ্টুরেন্ট রয়েলে
বাদাম কিন্না খাইছি দুইজান, বিএম কলেজ সয়েলে ।
অনেক দিন কাটায়া দিলাম, দিল কাত হয়না ফুয়েলে
তোমার লগে প্রথম দেহা——- ।
একদিন গেলাম গাবখান ব্রীজ, ঘোরতে তোমারে লইয়া
এরপর গেলাম পেয়ারা বাগান, ঝালকাঠীর পথ ধইরা
বরিশাল শিশু পার্ক আইলাম, মান সম্মান মাথায় থুবাইয়া—–
দপদপিয়া ব্রীজে দুইজন ছিলাম মোরা দ্বাড়াইয়া
অনেকক্ষণ পর দেখলাম তোমার হাতটি দিলে বাড়াইয়া ।
বুঁকের ভিতর কাঁপন হইলো চোখ গেলো মোর তারাইয়া——
বেহুশ হইয়া পইরা আছি, জ্ঞান গেছে হারাইয়া
তুমি শুধু কান্তে আছো বুকে মাথা জড়াইয়া ।
মানুষজনের ভীর দেইখা মুই গেছেলাম যে ডরাইয়া—-
হঠাৎ কইরা উইঠা দেখি বিছনায় আছি হুইয়া
ভাবলাম শুধু স্বপ্ন দেখি, ছেড়া কাঁথাতে শুইয়া
হাসতে হাসতে ঘুম থেইকা মুই উইঠা যে পরলাম বইয়া
(৩৩)
ধান নদী খালের খালের গোলা
জ্ঞানের ক্ষেত্রে খোলা মেলা
বরিশাইলা পোলারে বরিশাইল্লা পোলা
১০০ টাকা তোলারে ১০০ টাকা তোলা ।
বরিশাইল্লা——–বরিশাইল্লা পোলারে বরিশাইল্লা পোলা । ১০০ টাকা তোলারে ১০০ টাকা তোলা ।
ভোলার দধি গৌরনদী এক স্বাধের নয়
ঝালকাঠীর গামছা ভালো সব লোকে কয়
স্বরুপকাঠীর আমড়া ভাল সব লোকে খায়
কিন্তু সব জেলার পোলা কিন্তু এক রকম নয়রে—-
বরিশাইল্লা——–বরিশাইল্লা পোলারে বরিশাইল্লা পোলা । ১০০ টাকা তোলারে ১০০ টাকা তোলা ।
বরিশাইল্লা পোলারা খুব হ্যানস্যাম হয়
সহজে বাপের পোলা মাথা না নোয়ায় ।
সময় হলে টাংকি মারে, পড়ায় ফাঁকি নয় ।
ঝোপ বুঝিয়া, তোপ মারে ব্যবাক লোকে কয়রে
বরিশাইল্লা——–বরিশাইল্লা পোলারে বরিশাইল্লা পোলা । ১০০ টাকা তোলারে ১০০ টাকা তোলা ।
চাপা একটু বেশি মারে দোষের কিছু নয়
জমিদারী ভাব আছে, পূর্বপুরুষ কয়
ভিআইপি লঞ্চে আসে, ফাস্ট ক্লাসে যায়
পায়ের উপর পা ফ্যালাইয়া নায়কের ভাব যে লয়রে–
বরিশাইল্লা——–বরিশাইল্লা পোলারে বরিশাইল্লা পোলা । ১০০ টাকা তোলারে ১০০ টাকা তোলা ।
(৩৪)
ও সেজ ভাইজান আপনি ক্যা সব একলা খাইতি চান
বাবার জমি, ফুপুর জমি, বুয়ার জমি, ভাইয়ের জমি
সব যায়গায় নজর দেন ক্যান
আপনি ক্যা সব একলা খাইতি চান ।
টাকা করি বাহাদুরি, জমিদারি আছে বুঝি
মাঝে তে পথের বিখারী
এমন ভাব দেখান ক্যান
আপনি ক্যা সব একলা খাইতি চান ।
কথার ভিতর ঠিকাদারী, ঘরের মধ্যে বাহাদুরি
বউয়ের কাছে ঝারি ঝুড়ি , নিজের যতো বাহাদুরি
হঠাৎ থেমে যায় ক্যান
আপনি ক্যা সব একলা খাইতি চান ।
ঘরের মধ্যে রাজনীতি, এটা আপনার মতিগতি
বোনের লগে তেলেসমাতি
আপনি দেহান ক্যান
আপনি ক্যা সব একলা খাইতি চান ।
আধুনিক
কান্দিতে কান্দিতে যাবে তোমার এ জীবন
এহকালে দেখবে স্বপন হবেনা পূরণ তোমার হবেনা পূরণ ।
সময় থাকতে করলে না মন গুরুর সাধন
জীবন তোমার শেষ হইলো আসতেছে মরণ
এখন কেঁদে কি আর হবে সুকাইবে নয়ন । ।
পরপারে কি হইবে ভাবো একবার মন
এ জীবন চিরস্থায়ী নয় রাখিও স্মরণ
সময় থাকতে স্বরুপ তোমার চিনিও আপন ।
আধুনিক :
রইলো শুভ কামনা ও ভাবনা
জানি তুমি কোন দিনো আমার হবেনা
রইলো শুভ কামনা ।
কথা দিয়েছিলে তুমি রবে জীবন ভর
সেই তুমি হয়ে গেলে এখন অনেক পর
কথা দিয়ে কথা তুমি রাখতে পারলে না
রইলো শুভ কামনা ।
নিজের কথাই ভাবলে তুমি সারা জীবন ভর
পরকে আপন করিলে আপন করলে পর
নিজের পথ নিজেই নিলে আমায় ভাবলে না ।
রইলো শুভ কামনা ।
নতুন গান
তোমার পথ চেয়ে আছি সারা দিন ও রাত
আসবে ফিরে মনের ঘরে মিটিবে গো সাধ ।।
আসাবে সকাল কিংবা বিকাল আসবে সন্ধ্যে বেলা
এই আশাতেই কেটে গেলো আমার সারা বেলা /ছেলে বেলা
আসবে তুমি ক্ষানিক ক্ষণে হবেযে বরাত ।।
আসবে তুমি স্বপ্ন ভরে আসবে ঘুমের ঘোরে
এই আশাতেই দু’চোখ আমার ঘুমের ঘোরে ওড়ে
আসবে তুমি পরী হয়ে হবে যে বরাত/হবো কুপোকাত ।।
ভবে মানুষ চেনা দায়গো মানুষ চেনা দায়
বিশ্বাসের ঘরে চুরি কওে, কওে খায় খায় রে–
প্রাণরে বান্ধব রে
সুযোগ/সময় পাইলে দইেখা যাইও আমারে
তোমার বন্ধু কমেন আছে
কমেনে দনি কাটরেে ।।
শীত গলোে র্বষা গলেো
আইলো নতুন দনি
তোমার বন্ধুর দনি কাটনো
শুধু তুমি বনি
তুমি বন্ধু কমেন আছো
কোন সুখে মজয়িারে ।।
আইসো বন্ধু সময় করে
আইসো কোনো দনি
তোমার লাইগা চাইয়া আছি
লাগায়া র্দুবনি
র্দুদনি আমার/রাজুর কাইটা যাবে
তোমার দখো পাইলরেে ।।
জন্দিা থাকতে যদি না আও
হইলে মরন
আইসো বন্ধু কবররে পার
করতিে স্মরণ
পরপারে হইবে দখো
সৃষ্টর্কিতা চাইলে রে ।
মোঃ জহিরুল ইসলামের গানের লিরিক্স
গানের কথা, সুর ও শিল্পী: মোঃ জহিরুল ইসলাম
https://www.youtube.com/watch?v=KY9ZFJoF1_w&list=RDKY9ZFJoF1_w&start_radio=1


























































































