বার কাউন্সিলের রিভিউ প্রসঙ্গ
বার কাউন্সিলের ভূতুরে রেজাল্ট
মার্চ ০৮ ২০২৬, ১৬:০১
’’বার কাউন্সিলের ৫ মার্চ ২০২৬ প্রকাশিত প্রশ্নবিদ্ধ ফলাফল বাতিল ও ১৮ নভেম্বর ২০২৫ এর ফলাফল বহালের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি: ভুতুরে রেজাল্ট প্রকাশে প্রশ্নবিদ্ধ বার কাউন্সিল’’

ঢাকা, ৭ মার্চ ২০২৬: বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তি লিখির পরীক্ষার ৫ মার্চ প্রকাশিত প্রশ্নবিদ্ধ, স্বেচ্ছাচারী ও ভৌতিক রিভিউ ফলাফল বাতিল এবং পূর্বে প্রকাশিত ১৮ নভেম্বরের ২০২৫ তারিখের ফলাফল বহাল ও সমন্বয়ের দাবিতে ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় যে, পূর্বে প্রকাশিত ১৮ নভেম্বরের ফলাফল অনুযায়ী ১৯১৪ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই ফলাফলের ভিত্তিতে তারা আইন পেশায় প্রবেশের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন এবং পেশাগত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এগিয়ে নেন। কিন্তু পরবর্তীতে কোনো সুস্পষ্ট ও গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা ছাড়াই হঠাৎ করে ৫ মার্চ ২০২৬ নতুন ফলাফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে পূর্বে উত্তীর্ণ ঘোষিত অনেক পরীক্ষার্থীকে অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে। এবং অনেক ভৌতিক রোল নম্বর দেখা যাচ্ছে, এতে সারা দেশের হাজার হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে চরম হতাশা, ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীদের দাবি, ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ঘাটতি রয়েছে এবং পূর্বে প্রকাশিত ফলাফল পরিবর্তনের বিষয়ে কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়নি। ফলে পরীক্ষার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। তারা আরও অভিযোগ করেন যে, পরীক্ষার মূল্যায়ন পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি এবং পরীক্ষার্থীদের সাথে কোনো আলোচনা বা নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়াই একতরফাভাবে ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে। এছাড়া সাক্ষ্য আইন এর ১১৫ ধারা অনুসারে অনুসারে ফলাফল প্রকাশ করে তা বাতিল করা স্বকার্জ জনিত বাধা যা বার কাউন্সিল করতে পারেনা। ইতিপূর্বে বার কাউন্সিলের এরুপ সেচ্ছাচারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, অনেক আইনজীবী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই ঘটনার ফলে হাজার হাজার আইন শিক্ষার্থী মানসিক, সামাজিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং তাদের পেশাগত ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
এ প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট নিম্নোক্ত দাবি জানিয়েছেন—
১. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক ৫ মার্চ প্রকাশিত প্রশ্নবিদ্ধ ফলাফল অবিলম্বে বাতিল করা।
২. পূর্বে প্রকাশিত ১৮ নভেম্বরের ফলাফল বহাল রাখা।
৩. একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে ফলাফল প্রকাশ প্রক্রিয়া তদন্ত করা।
৪. পরীক্ষার মূল্যায়ন প্রক্রিয়া পুনঃপর্যালোচনা করে ফলাফল সমন্বয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৫. ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে তাদের পেশাগত ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা।
ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা আশা প্রকাশ করেন যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে বিষয়টির দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত সমাধান হবে এবং হাজার হাজার আইন শিক্ষার্থীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।
https://www.facebook.com/share/v/18SXFjDhvE/
https://www.facebook.com/share/v/18SXFjDhvE/
সাহিত্য পাতায় আজকের কবিতা ‘‘ প্রিয় রং ‘’

























































































