শিল্প সম্পর্ক মডেল কী ? কোনটি ভালো?

জুলাই ২৫ ২০২১, ১৫:৫৬

Spread the love

শিল্প সম্পর্ক মডেল কী ? কোনটি ভালো?

আজকের ঝলক

আমরা জানি, মডেল হলো কোন বিষয়ের ধারণাগত কাঠামো যা যৌক্তিক ভিত্তিতে বাস্তবতার নিরিখে বিষয়টিকে প্রকাশ করে। শিল্প সম্পর্কের মডেল তেমনই শিল্প সম্পর্কের ধারণা যৌক্তিক ভাবে ব্যাখ্যা করে এবং শিল্পে ও সমাজে শিল্প সম্পর্কের উদ্ভবের কারণ ব্যাখ্যা করে। শিল্প সম্পর্ক কিভাবে উদ্ভব হলো তার নানা ধরণের ব্যাখ্যা নানা বিশারদ নানা ভাবে দিয়েছেন।

প্রথমে মডেলগুলোর নাম নিচের ছকে দেয়া হলো-

১। ডানলপিয়ান মডেল
২। মাক্সীয় মডেল
৩। সামাজিক ক্রিয়া মডেল
৪। মানব সম্পর্ক মডেল
৫। বরাত/অভিসম্বন্ধ কাঠামো মডেল
৬। উডের সিস্টেমস মডেল
৭। সামাজিক অংশীদার মডেল
৮। রাজনৈতিক মডেল

কোন মডেলটি গুরুত্বপূর্ণ ?

১। ডানলপিয়ান মডেল

শিল্প সম্পর্কের এই মডেল সিস্টেমস তত্তে¡র ভিত্তিতে প্রণীত হয়েছে এবং ডানলপ (১৯৫৮) এই মডেলটি দিয়েছেন। তিনি সিস্টেমস ধারণাকে শিল্প সম্পর্কের একটা বিস্তৃত পরিসরের সমন্বিত মডেল দেয়ার জন্য ব্যবহার করেছেন। একইভাবে, শিল্প সম্পর্কের ডানলপিয়ান মডেল শিল্প সম্পর্ককে সার্বিক সামাজিক ব্যবস্থার একটি উপব্যবস্থা হিসেবে মনে করে। এটি কতকগুলো নির্দিষ্ট চালক/নট, প্রেক্ষাপট, ভাবাদর্শ ও নিয়মাবলী নিয়ে গঠিত যাদের মিথঃস্ক্রিয়ার সমন্বিত প্রকাশ হলো শিল্প সম্পর্ক। নিচে শিল্প সম্পর্কের ডানলপিয়ান মডেলটি একটা চিত্র দেয়া হলো। এ প্রেক্ষাপটে ডানলপিয়ান মডেল নি¤œ সমীকরণে প্রকাশ করা যায়
শিল্প সম্পর্ক = (ভ(চালক ভাবাদর্শ েেপ্রক্ষাপট? নিয়মাবলী)
চালক বা নট হলো মালিক বা ব্যবস্থাপনা, শ্রমিক-কর্মচারি বা ইউনিয়ন এবং সরকার (বিশেষায়িত সরকারি এজেন্সিসমূহ) যারা শিল্প সম্পর্কের নিয়ামক শক্তি হিসেবে এর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং যারা শিল্প সম্পর্ক রক্ষার নিয়মাবলী প্রণয়ন করে।

ভাবাদর্শ হলো সামাজিক-সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ যা সমাজ থেকে উদ্ভুত হয় এবং চালকদের নিয়ন্ত্রণ করে। ভাবাদর্শ হচ্ছে শিল্প সম্পর্ক সিস্টেমের মধ্যস্থিত একটা বিশ্বাস যা প্রত্যেক চালকের বা একদল চালকের ভ‚মিকা নির্দিষ্ট করে সংজ্ঞায়িত করে দেয়। আর যদি সংঙ্গতিপূর্ণ না হয়, তা হলে শিল্প সম্পর্ক সিস্টেম স্থিতিশীল হবে। আর যদি সংগতিপূর্ণ না হয়, তাহলে শিল্প সম্পর্ক সিস্টেম অস্থিতিশীল হবে।

প্রেক্ষাপট হলো একটি নির্দিষ্ট সমাজ ব্যবস্থার ও প্রতিষ্ঠানের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, কারিগরি ও অর্থনৈতিক অবস্থা যার আবছায়ায় শিল্প সম্পর্ক উদ্ভব হয় ও বিদ্যমান থাকে। সংগঠনের কারিগরি চরিত্র, বাজার, সংগঠনের বাজেটীয় সীমাবদ্ধতা, সমাজের ক্ষমতার কেন্দ্র ও বন্টন ব্যবস্থা, সাংগঠনিক সংস্কৃতি, সমাজ কাঠামো, বৃহত্তর সমাজের সংস্কৃতি, বৈশ্বিক পরিবেশ ইত্যাদি শিল্প সম্পর্কের প্রেক্ষাপট তৈরি করে।

নিয়মাবলী হলো প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলী ও শ্রমিক-কর্মচারিদের নিয়ন্ত্রণকারী বিধি-বিধানের কাঠামো। এটি বিভিন্ন প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি ব্যবহার করে মালিক বা ব্যবস্থাপনা, সরকার, মালিক-ইউনিয়ন যৌথভাবে বা মালিক-সরকার-ইউনিয়ন যৌথভাবে প্রণয়ন করে এবং যা নিয়োগ সম্পর্কের শর্ত ও প্রকৃতি প্রকাশ করে।

ডানলপিয়ান মডেল অনুসারে শিল্প সম্পর্ক সমাজ ব্যবস্থা থেকে উদ্ভুত একটা ধারণা এবং সে কারণে এটি ভাবাদর্শ, সংস্কৃতি ও অন্যান্য সামাজিক উপাদান দ্বারা প্রভাবিত হয়। এটি দেশের কর্মী, ব্যবস্থাপক ও সরকারের পারস্পরিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। সরকার যে আদর্শ গ্রহণ করে তা শিল্প সম্পর্কের ধারণা উদ্ভবে ও প্রয়োগে প্রধান নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। যেমন- সরকার পুঁজিবাদ, সমাজবাদ বা মিশ্রবাদ অনুসরণ করতে পারে।

২। মাক্সীয় মডেল 

কার্ল মার্ক্স প্রদত্ত শিল্প সম্পর্কের মার্ক্সীয় মডেল দ্বা›িদ্বক বস্তুবাদ ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত। এই দ্বা›িদ্বক বস্তুবাদ মনে করে, সমাজের বুর্জোয়া, সমান্ত বা পুঁজিপতিদের মতো সম্পদশালী শ্রেণী ও শ্রমিক বা সর্বহারাদের মতো সম্পদহীন শ্রেণী বস্তুগত লাভ পাওয়ার জন্য চিরন্তন সংগ্রামে নিয়োজিত আছে। এই সংগ্রাম সামাজিক কাঠামোর পরিবর্তন না হলে চলতেই থাকবে। শিল্প সম্পর্ক এই স্থায়ী ও অপরিবর্তনীয় দ্বা›িদ্বক অবস্থা থেকে উদ্ভুত হয়।

এই দ্বা›িদ্বক অবস্থা শ্রম বাজারের ফসল যেখানে শ্রমিকরা শ্রম বিক্রি করে ও মালিক বা ব্যবস্থাপকরা শ্রম ক্রয় করে। এখানে শ্রম একটি পণ্য যার মূল্য নির্ধারণের জন্য শ্রমিক ও মালিক দরকষাকষিতে নিয়োজিত থাকে।

উৎপাদিত পণ্যের মালিকানা থেকে শ্রমিকদের বিচ্ছিন্নতা শিল্প সম্পর্কের মার্ক্সীয় মডেলে একটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করে। আর শ্রমিকেরা তাদের সৃষ্ট পণ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং মানুষের সৃষ্টিশীলতা প্রসূত পণ্যের অধিকার থেকে তাদেরকে বঞ্চিত করা হয়। এই বঞ্চনা থেকে সৃষ্টি হয় বিচ্ছিন্নতা, যা শিল্প সম্পর্ককে একটা দ্বা›িদ্বক সম্পর্কে রূপান্তর করে।

শ্রমিকদের বিচ্ছিন্নতার পেছনে শ্রম বিভাজন ও কারখানা ব্যবস্থাও দায়ী। শ্রম বিভাজনে একজন শ্রমিক একটি পণ্যের একটা ক্ষুদ্র অংশ তৈরি করে। সে কারণে সে সম্পূর্ণ পণ্যের উপর মালিকানা দাবী করতে পারে না। আবার কারখানা ব্যবস্থায় বৃহদায়তন উৎপাদনের স্বার্থে যান্ত্রিকীকরণের ফলে শ্রমিকদের গুরুত্ব কমে যাওয়ায় বিচ্ছিন্নতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শ্রমিকদের এই বিচ্ছিন্নতার চারটি কারণ রয়েছে, যা মানুষের সৃষ্টির মালিকানা পাওয়ার পথে তীব্র বাঁধা তৈরি করেছে। সে প্রতিবন্ধকতাগুলো হলো ঃ
[১] ক্ষমতাহীনতা, যা মানুষকে নিয়ন্ত্রণহীন করে;
[২] অর্থহীনতা, যা মানুষকে উদ্দেশ্যহীন বা লক্ষ্যহারা করে;
[৩] একাকিত্ব, যা মানুষকে সামাজিক অন্তর্ভুক্তিহীন করে;
[৪] স্ববিচ্ছিন্নতা, যা মানুষকে স্বউন্নয়ন করতে দেয় না।
মার্ক্সীয় চিন্তাধারার সামগ্রিক পর্যালোচনা শেষে বলা যায়, শিল্প সম্পর্ক হলো পণ্য উৎপাদনে নিয়োজিত বিরোধপূর্ণ সর্বহারা শ্রমিক ও পুঁজিপতি মালিক পক্ষের মধ্যে অধিকতর বস্তুগত লাভ বা আয়ের অধিকতর অংশীদারিত্ব পাওয়ার চিরস্থায়ী সংগ্রামের একটি প্রক্রিয়া।

৩। সামাজিক ক্রিয়া মডেল 

শিল্প সম্পর্কের সামাজিক ক্রিয়া মডেলটি ম্যাক্স ওয়েবারের সমাজ বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা থেকে উদ্ভুত হয়েছে। সামাজিক ক্রিয়া মডেল অনুসারে শিল্প সম্পর্ক হলো সমাজ কাঠামো ও সামাজিক চালকদের আচরণের মধ্যস্থিত পারস্পরিক সম্পর্ক। সামাজিক চালকসমূহ হলো ব্যবস্থাপনা, শ্রমিক সংঘ ও সরকার। সামাজিক কাঠামো চালকদের সামাজিক কর্মকান্ড সামাজিক রীতিনীতি, আদবকায়দা, বিশ্বাস ও আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে।
আমরা জানি মানুষ সামাজিক অবস্থার নাম ও স্বরুপের ব্যাখ্যা প্রদান করে। উপলব্ধির পার্থক্যের কারণে ব্যক্তি ভেদে ও সমাজ ভেদে এই নাম ও ব্যাখ্যা নানা রকম হয়। ফলে, সামাজিক কাঠামোর প্রকৃতি ও স্বরূপ নানা দেশে নানা রকম হয় ও তার নানা রকম ব্যাখ্যা হয়। যেখানে যাই হোক না কেন, সামাজিক কাঠামো সেই রূপে শিল্প সম্পর্কের নিয়ামক শক্তি হয়।
পরিশেষে বলা যায়, সামাজিক ক্রিয়া মডেল অনুসারে শিল্প সম্পর্ক সামাজিক চালকসমূহ ও সামাজিক কাঠামোর মিথঃস্ক্রিয়াজাত পারস্পরিক সম্পর্ক।

৪। মানব সম্পর্ক মডেল ।

শিল্প সম্পর্কের মানব সম্পর্ক মডেলের প্রবক্তা হলেন এলটন ম্যায়ো। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন ইলেকট্রিক কোম্পনিতে পরিচালিত তাঁর বিখ্যাত হথর্ন পরীক্ষণ থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা হতে এই মানব সম্পর্ক মডেলটি প্রদান করেন। এই অন্তর্নিহিত সন্তুষ্টি অর্জন করার জন্য পেশাগত নৈতিকতার সাথে কাজের সামঞ্জস্য বিধান করতে হবে।

পেশাগত নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা করা যাবে, যদি সংগঠনে কাজের স্বাধীনতা, চ‚ড়ান্ত পণ্যের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখা, অঙ্গীকারের অনুভুতি, অনানুষ্ঠানিক সংগঠন, কার্য সম্প্রসারণ, কার্য উন্নতকরণ, নমনীয় কার্যসময় ইত্যাদি প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরিশেষে বলা যায়, শিল্প সম্পর্ক হলো বৃহত্তর সমাজের মানব সম্পর্কের একটি প্রকার, যা শিল্পে সামাজিক ভারসাম্য বজায় রাখার মাধ্যমে সৌহার্দ্যমূলক ও সামঞ্জস্যমূলক করা যায়।

৫। বরাত/অভিসম্বন্ধ কাঠামো মডেল

শিল্প সম্পর্কের বরাত/অভিসম্বন্ধ কাঠামো মডেলের প্রবক্তা হলে এ. ফক্স। বরাত/অভিসম্বন্ধ কাঠামো মডেলের বক্তব্য হলো শিল্প সম্পর্ক বরাত/অভিসম্বন্ধ কাঠামোর উপর নির্ভরশীল, যার ভিত্তিতে ব্যক্তি সার্বজনীনকরণের মাধ্যমে কোন ঘটনা উপলব্ধি ও ব্যাখ্যা করে। অন্য কথায় বলা যায়, বরাত/অভিসম্বন্ধ কাঠামো হলো অনুমান ও মনোভাবের একটি জটিল সেট, যা আমরা কোন কিছুর অর্থ বোঝার জন্য আমাদের উপলব্ধি পরিশোধন করায় ব্যবহার করি।

বরাত/অভিসম্বন্ধ কাঠামো মতবাদ মনে করে শিল্পের কাজ, ব্যবস্থাপনা ধরন, শ্রমিক সংঘ, মানব সম্পর্ক, আইন-কানুন-বিধি-বিধান, কর্তৃত্ব ইত্যাদি বিষয় কর্মচারিরা যে বরাত/অভিসম্বন্ধ কাঠামো ব্যবহার করে সেগুলো অনুধাবন করে, ব্যাখ্যা করে ও ভাল-মন্দ বিচার করে সেটি হলো শিল্প সম্পর্ক। পরিশেষে বলা যায়, শিল্প সম্পর্ক হলো শিল্পের নানা ঘটনা সম্পর্কে ব্যক্তির নিজস্ব বরাত/অভিসম্বন্ধ কাঠামো অনুসারে প্রদত্ত ব্যাখ্যা।

৬। উডের সিস্টেমস্ মডেল

শিল্প সম্পর্কের আর একটি মডেল হলো উডের সিস্টেমস্ মডেল। এটি শিল্প সম্পর্কের সিস্টেমস্ মডেল নামে পরিচিতি। এটি শিল্প সম্পর্কের ডানলপিয়ান মডেলের একটি সংশোধিত ও বর্ধিত রূপ। শিল্প সম্পর্কের সিস্টেমস্ মডেলটি উড ১৯৭৫ সালে প্রদান করেন। এই মডেলে শিল্প সম্পর্ককে একটি বহুপাক্ষিক সম্পর্ক উদ্ভুত অভ্যন্তরীন ও বহিঃস্থ শিল্প সম্পর্কের একটি সমন্বিত সম্পর্ক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

৭। সামাজিক অংশীদারি মডেল

শিল্প সম্পর্কের সামাজিক অংশীদারি মডেল ১৯৯০ দশকে যুক্তরাজ্যে উদ্ভব হয়। আকারস্ ও পেইন (১৯৯৮) এবং টেইলবি ও উইনচেস্টার (২০০০) এই মডেলটির একটা তাত্তি¡ক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন। এই সামাজিক অংশীদারি ব্যবস্থায় মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়ন এক সঙ্গে কাজ করে, মূখ্য স্বার্থসমূহের জন্য সহযোগিতামূলক কাজগুলো সমন্বয়সাধন করে, কাজ ও মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে গভীর ভাবে জড়িত হওয়া থেকে রাষ্ট্রকে মুক্তি দেয় এবং অর্থনৈতিক ও অন্যান্য যৌথ সমস্যাবলী সমাধান করে। শিল্প সম্পর্কের সামাজিক অংশীদারি মডেলের পাঁচটি অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত উপাদান আছে।

শিল্প সম্পর্কের সামাজিক অংশীদারি মডেলের পাঁচটি উপাদান পরস্পর সম্পর্কিত। এগুলো মিলে একটা সামাজিক অংশীদারি কাঠামো তৈরি হয়। এটি অনুসরণ করে শ্রমিক ও মালিক প্রতিনিধিরা পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে শিল্প সম্পর্ক বজায় রাখার প্রচেষ্টা গ্রহণ করবে। এই মডেলে শিল্প সম্পর্কের উদ্দেশ্য থাকে শ্রমশক্তি, প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতির উৎকর্ষ সাধন করা।

৮। রাজনৈতিক অর্থনৈতিক মডেল

শিল্প সম্পর্কের রাজনৈতিক অর্থনৈতিক মডেলটি শিল্পায়নের পথে অগ্রসরমান উন্নয়নশীল দেশসমূহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। দ্রæত শিল্পায়নের সুবিধার্থে উন্নয়নশীল দেশসমূহ বিদেশী বিনিয়োগ চায়। বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করার জন্য বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়। এ জন্য দেশের সরকার বিদেশী শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের অনেক অধিকার খর্ব করে এবং মজুরি ও অন্যান্য কল্যান সুবিধায় অনেক ছাড় দেয়। বাংলাদেশও এখন এই রাজনৈতিক অর্থনৈতিক মডেল অনুশীলন করছে। এটি মডেলটির একটা ছক নিচে দেয়া হলো।
পরিশেষে বলা যায়, শিল্প সম্পর্কের রাজনৈতিক অর্থনৈতিক মডেল একটি সরকারি হস্তক্ষেপবাদী মতবাদ যার মাধ্যমে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত শিল্প সম্পর্ক বজায় রেখে দেশের দ্রæত শিল্পায়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্ম সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্য অর্জন করা হয়।

 

এমবিএ-বাংলা ভার্সনের রেজাল্ট প্রকাশ

https://www.youtube.com/watch?v=gJtk-2wGsCU&t=1s

 



আমাদের ফেসবুক পাতা




প্রয়োজনে কল করুন 01740665545

আমাদের ফেসবুক দলে যোগ দিন







Translate »