কলাপাড়ায় পাযরাবন্দরে প্রশিক্ষণ প্রকল্পের দরপত্রে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিযমের অভিযোগ
অক্টোবর ০৯ ২০২০, ২৩:৩১
রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি ঃ কলাপাড়ায় পাযরাবন্দর
প্রশিক্ষন প্রকল্পের দরপত্রে ব্যাপক দুৃর্নীতি ও অনিযমের অভিযোগ পাওযা
গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পাযরা বন্দর কলাপাডায ” রেনডারিং ট্রেনিং টু
দ্যা পিপল এফেক্টেড ডু টু এ্যাকুইসিশন অফ ল্যান্ড এ্যাট কলাপাডা ”
প্রকল্পের দরপত্র আহবান করলে বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পাথওয়ে ৯
সেপ্টেম্বর আবেদন ফরম ক্রয করেন এবং জমা দেওযার শেষ দিন ২৯ সেপ্টেম্বর
তাদের প্রতিনিধি মোযাজ্জেম হোসেন ও উত্তম কুমার হাওলাদার নির্ধারিত সময
দুপুর দুইটার পূর্বেই ১.৩০ মিনিটে উপস্থিত হন।
তারা জমা দিতে ব্যর্থ হলে পাথওয়ের নির্বাহী পরিচালক মো: শাহিনকে ফোন করেন তিনি এসে উপস্থিত হলে
পাযরা বন্দরের প্রবেশদ্বারে তাকে আটকে দেযা হয পরে মোযাজ্জেম হোসেন গেটে
এসে তাকে ভিতরে নিতে চাইলে তল্লাশীর নামে তার সমযক্ষেপণ করার পর ভিতরে
প্রবেশ করে দরপত্র জমা দিতে চাইলে প্রকল্প কর্মকর্তাগণ তার আবেদনপত্র জমা
নেয়নি। পরবর্তীতে তিনি প্রকল্পের পিডি মো: আতিকুল ইসলাম এবং পিডি
ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এর কাছে গিয়ে দরপত্র জমা নেওযার অনুরোধ
করেন কিন্তু মো: মনিরুজ্জান তার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং তাকে
বেরিয়ে যেতে বলেন।
এরপর বিষযটি তিনি স্থানীয সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মহিবুর
রহমানকে অবহিত করলে তিনি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য হিসেবে মো: শাহিনের
দরপত্রটি জমা নেযার জন্য তাদের সাথে মুঠোফোনে কথা বলে অনুরোধ করেন কিন্তু
প্রকল্প কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান তার কথাও অগ্রাহ্য করেন।
পাথওয়ে’র নির্বাহী পরিচালক মো: শাহিন সাংবাদিকদের বলেন, ডরপ নামের একটি
এনজিও বর্তমানে পাযরা বন্দরে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং তাতে
বেশ কিছু অনিয়মের তথ্য ইতিমধ্যেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং
মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ওই প্রতিষ্ঠানটিকে পুনরায কাজ পাইয়ে দেযার জন্য
মনিরুজ্জামান সাহেব আমার আবেদন জমা নেননি। তিনি আরো বলেন, স্থানীয
ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য হিসেবে বিষযটি আমি পাযরাবন্দর কর্তৃপক্ষের
কাছে পুন:দরপত্র আহবানের জন্য আবেদন করেছি এবং যার অনুলিপি নৌ-পরিবহন
মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীসহ স্থানীয় সাংসদ, কলাপাড়া প্রেসক্লাব,
কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং কলাপাড়া রিপোর্টার্স ক্লাবের
সভাপতি/সম্পাদক এর নিকট জমা দিয়েছি।
এ ব্যাপারে পাযরাবন্দর কর্তৃপক্ষের উক্ত প্রকল্পের পিডি ক্যাপ্টেন
মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের নিকট তার মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন
রিসিভ করেননি।


























































































